জানা গিয়েছে, তাঁদের কোনও সন্তান না থাকার কারণেই এক যুবককে দত্তক নিয়েছিলেন গৃহবধূ। দত্তক নিয়েছিলেন কৃষ্ণপদ দাস নামের এক যুবককে। আর ঘটনার সূত্রপাত এখান থেকেই। কৃষ্ণপদ দাস বিয়ে করেছিলেন এবং সংসার নিয়ে থাকতেন গৃহবধূর বাড়িতেই। কিন্তু সম্প্রতি কৃষ্ণপদ দাস সুকন্যা দেবী ও প্রনব বাবুর ওপরেই মানষিক অত্যাচার করতেন বলে অভিযোগ। এমনকি অসুস্থ হলেও কোনওরকম চিকিৎসা করাতেন না।
advertisement
আরও পড়ুন: কাকার রোষানলে পড়ে চিরতরে হারিয়ে গেল ভাইপো! পারিবারিক বিবাদ থেকে রক্তারক্তি কাণ্ড
দত্তক নেওয়া সন্তানের বিরুদ্ধে রয়েছে আরও অভিযোগ। তিনি নাকি সম্পত্তি হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টাও করতেন। এরপর বৃহস্পতিবার রাতে সুকন্যা দেবী অসুস্থ হয়ে পড়লে, তাঁর কোনওরকম চিকিৎসা করানো হয়নি। বিষ প্রয়োগ করে ওই গৃহবধূকে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পরেই কৃষ্ণ দাস সোনা ও জমির দলিল নিয়ে চম্পট দিয়েছে বলে খবর। শুক্রবার সকাল থেকেই তার কোনও সন্ধান পাওয়া যায়নি।
আরও পড়ুন: শ্রাদ্ধশান্তি মিটেছে দু’মাস আগে, তাঁকেই স্টেশনে বসে থাকতে দেখে চোখ কপালে স্থানীয়দের! ঘরে ফিরলেন শরৎ
ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় কান্দি থানার পুলিশ। শুক্রবার দুপুরে ময়নাতদন্তের পর মৃতার দেহ তুলে দেওয়া হয় পরিবারের সদস্যদের হাতে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ প্রশাসন। অন্যদিকে এই ঘটনায় অভিযুক্তদের শাস্তির দাবি করেছেন মৃতের পরিবারের সদস্যরা। ঘটনায় কান্নার রোল নেমে এসেছে গোটা এলাকা জুড়ে। দত্তক নেওয়া সন্তান এমন করতে পারে তাও কল্পনা করতে পারছেন না মৃতের পরিবারের সদস্যরা।
