জানা গিয়েছে, ভাঙনের জেরে ক্ষতিগ্রস্ত ১৩৪টি পরিবার। তারা পাট্টার দাবিতে বিডিও অফিসের গেটে তালা লাগিয়ে দেয় এবং বিডিও অফিস চত্ত্বরে বিক্ষোভ চালায়। পাট্টার কাগজ তৈরি থাকলেও টালবাহানার কারণে মিলছে না পাট্টা। ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্তদের অভিযোগ, তারা লালগোলার তারানগর এলাকায় বসবাস করত। কিন্তু কয়েকমাস আগে ভয়াবহ পদ্মা ভাঙনে তাদের বাড়িঘর নদীগর্ভে তলিয়ে যায়। এরপর তাদের পাট্টা প্রদানের আশ্বাস দেয় প্রশাসন। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে তাদের সঙ্গে টালবাহানা করা হচ্ছে, হয়রানি করা হচ্ছে।
advertisement
ভয়াবহ ভাঙনের জেরে ইতিমধ্যেই পদ্মার নদী গর্ভে তলিয়ে গিয়েছে আস্ত গ্রামীণ যোগাযোগ রাস্তা থেকে ভিটেমাটি জমি সব কিছুই। আর রাস্তা তলিয়ে যেতেই প্রবল সমস্যায় পড়েছেন সকলে। অন্যদিকে ভাঙন কবলিত এলাকার মানুষদের সাবধান ও সচেতনতা বার্তাও দেওয়া হয় এখনও। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা। বাঁশ দিয়ে ব্যারিকেট করে রাখা হয়েছে। যদিও চোখের সামনে তিল তিল করে ভিটেমাটি রাস্তা তলিয়ে যেতেই এখন আতঙ্কিত গ্রামের বাসিন্দারা।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
তাই নিজের মাথায় এক চিলতে ছাদের জন্য পাট্টা দাবিতে সরব হয়েছেন গ্রামের বাসিন্দারা। লালগোলা পঞ্চায়েত সমিতির বন ও ভূমি কর্মাধ্যক্ষ ইসমাইল হকের অভিযোগ, সমস্ত ফাইল রেডি করে দেওয়া সত্ত্বেও পাট্টা দিতে প্রশাসন টালবাহানা করছে। যদিও মুর্শিদাবাদ মহকুমা শাসকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অবিলম্বে পাট্টা দিয়ে সমস্যার সমাধান করা হবে।





