অভিযোগ, অস্থায়ীভাবে ওই এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন ছিল। সেই সময় স্কুল চত্বরে থাকা বাহিনীর বিদ্যুৎ ব্যবহার থেকেই বিপুল অঙ্কের বিল জমতে থাকে, যা স্কুলের নামেই আসে।
স্কুলের প্রধান শিক্ষক অভিযোগ করে জানান, মোটা অঙ্কের বিদ্যুৎ বিল মেটাতে না পারায় বিদ্যুৎ দফতর কোনও রকম শুনানি ছাড়াই স্কুলের ইলেকট্রিক লাইন কেটে দিয়েছে। ফলে বর্তমানে অন্ধকারেই পঠন-পাঠন চালাতে হচ্ছে।
advertisement
এমনই চিত্র ধরা পড়েছে মুর্শিদাবাদ জেলার ধুলিয়ান পৌরসভার ১৬ নং ওয়ার্ডের ৩১ নং দাদাঠাকুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। বিদ্যুৎ না থাকায় পড়াশোনার স্বাভাবিক পরিবেশ পুরোপুরি ব্যাহত হচ্ছে।
প্রধান শিক্ষক গাজেন্দ্রনাথ সরকার জানিয়েছেন, এই বিষয়ে একাধিকবার সামশেরগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ জানানো হলেও বিষয়টি নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও সমাধান মেলেনি। পাশাপাশি বিদ্যুৎ দফতরকে জানানো হয়েছে যে, বিদ্যুতের লাইন কেটে দিলে বিদ্যালয়ের শিক্ষার হার একেবারে বেহাল হয়ে পড়বে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
তবে বিদ্যুৎ দফতরের কর্মীদের বক্তব্য, “বিল না মেটালে লাইন কাটতেই হবে।” এদিকে কবে ফের বিদ্যুৎ সংযোগ স্বাভাবিক হবে, সেই আশায় দিন গুনছেন দাদাঠাকুর স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকা থেকে শুরু করে ছাত্রছাত্রীরা। দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ না হলে বিদ্যালয়ের পড়াশোনা আরও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে জানান বিদ্যালের প্রধান শিক্ষক গাজেন্দ্রনাথ সরকার।





