মুর্শিদাবাদ জেলার একমাত্র স্টেডিয়াম অবস্থিত বহরমপুরে। নেট প্র্যাকটিস থেকে পানীয় জল, পর্যাপ্ত আলোর কোন সমস্যা আছে কি না সরাসরি শোনেন খেলোয়াড়দের মুখ থেকেই। অভিভাবকদের বসার জায়গা নিয়েও খোঁজ নেন। ক্রিকেট ছাড়াও ফুটবলের প্রশিক্ষণ, মাঠে বেড়া কতদূর সরেজমিনে খতিয়ে দেখেন জেলাশাসক। পরিদর্শনের পর বহরমপুর স্টেডিয়ামকে নতুন রূপ দিতে বেঁধে দেওয়া হল তিন মাসের টার্গেট। মুর্শিদাবাদ জেলার প্রাক্তন খেলোয়াড়দের সম্মান জানানো হবে।
advertisement
স্টেডিয়ামের আমূল সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দর্শক গ্যালারি থেকে, হকির মাঠ, ৩ নম্বর মাঠে বেড়া দেওয়া, জেলা ক্রীড়া সংস্থার নিজস্ব কমিউনিটি হল তৈরির উদ্যোগ শুরু-সহ একাধিক পরিকল্পনা নেন জেলাশাসক।
স্টেডিয়াম ঘুরে দেখে জেলাশাসক বলেন, ”এখানে যা পরিকাঠামো রয়েছে সেগুলিকে কী করে আরও উন্নত করা যায়, নতুন খেলা কী করে অন্তর্ভুক্ত করা যায় সেটা নিয়ে জেলা ক্রীড়া সংস্থায় আমাদের টিমের সঙ্গে স্টেডিয়াম পরিদর্শন হয়েছে। যে পরিকাঠামোর ক্ষেত্রে ফাঁক রয়েছে সেগুলির জন্যে ‘এসটিমেট’ তৈরি করা হচ্ছে। সেই কাজগুলি করা হবে। পরবর্তী তিন মাসের টার্গেট নেওয়া হয়েছে। শিশুদের খেলতে অসুবিধা দূর করা, অভিভাবকদের জন্যে আরও ভাল সুযোগের যাতে ব্যবস্থা করা যায় তা নিয়ে ভাবা হচ্ছে। সামগ্রিকভাবে মুর্শিদাবাদ জেলায় স্পোর্টসের যেন উন্নয়ন হয় সেজন্যে জেলা ক্রীড়া সংস্থার পক্ষ থেকে পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।”
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
মুর্শিদাবাদ জেলা ক্রীড়া সংস্থাকে শক্তিশালী করতে নিজস্ব তহবিল গড়তে হবে। এজন্যে তিনি কমিউনিটি হল তৈরির জন্য উদ্যোগ নিতে বলেন। সেই কমিউনিটি হল কোন জায়গায় হবে তার জায়গাও দেখেন জেলাশাসক। জেলা শিল্পকেন্দ্রের অফিসের উলটো দিকে স্টেডিয়ামে প্রবেশের বাম দিকে ওই কমিউনিটি হল তৈরির জন্যে ‘এসটিমেট’ করতে বলেন। বহরমপুর কলেজের দিকে এই ‘মাল্টি ইউজ’ কমিউনিটি হল করতে ডিএসএ-র তরফে প্রস্তাব দেওয়া হয়।





