কুসুম মল্লিক জানিয়েছেন, ছেলেকে নিয়ে সিঁড়ি দিয়ে উপরে উঠতেই দোতলার বারান্দায় দেশরাজকে দেখতে পান তিনি৷ ততক্ষণে দোতলার ঘরে ঈশিতাকে গুলি করে খুন করে ফেলেছে ওই যুবক৷ ঈশিতার মা এবং ভাইকে দেখে হতচকিত হয়ে যায় সে৷
আরও পড়ুন: কাঁচরাপাড়ায় ঘনিষ্ঠতা, কৃষ্ণনগরে চরম পরিণতি! ভুবনেশ্বর যাত্রা বাতিল করাই কাল হল ঈশিতার?
advertisement
ঈশিতার মা তাকে জিজ্ঞেস করে, ‘তুমি এখানে কী করছ?’ এর জবাবে দেশরাজ বলে, ‘কাকিমা, আপনার সঙ্গে আমার কথা আছে৷’ তখন কুসুমদেবী তাঁকে বলেন, ‘তোমার সঙ্গে আমার কোনও কথা নেই৷ এখান থেকে চলে যাও৷’ অভিযোগ, এর পরেই ঈশিতার মায়ের কপালেও বন্দুক ঠেকিয়ে গুলি করার চেষ্টা করে সে৷ কিন্তু যে কোনও কারণেই বন্দুক থেকে গুলি বেরোয়নি৷ এর পরেই ঈশিতার মা এবং ভাইকে ধাক্কা মেরে পাশের ঘরে ঠেলে দিয়ে সিঁড়ি দিয়ে নেমে পালিয়ে যায় দেশরাজ৷
এর পরই পাশের ঘরে গিয়ে কুসুমদেবী দেখেন, ঘরের ভিতরে মেয়ের রক্তাক্ত দেহ পড়ে আছে৷ ঘটনার পর থেকে প্রায় চব্বিশ ঘণ্টা কেটে গেলেও এখনও দেশরাজের খোঁজ পায়নি পুলিশ৷ সম্পর্কের টানাপোড়েনের জেরেই কৃষ্ণনগরের এই ভয়ঙ্কর কাণ্ড বলে প্রাথমিক ভাবে মনে করছে পুলিশ৷ কিন্তু কেন দেশরাজ নৃশংস ভাবে ঈশিতাকে খুন করল, তা এখনও বুঝে উঠতে পারছে না নিহত কলেজ ছাত্রীর পরিবার৷
