বর্ধমানের তৎকালীন মহারাজ মহাতাব চাঁদের ঘুড়ি ওড়ানোর শখ ছিল। সেই সময় মকর সংক্রান্তির সকাল থেকেই রাজবাড়ির ছাদে ঘুড়ি ওড়ানোর আনন্দে মেতে উঠতেন বর্ধমানের মহারাজা সহ রাজসভার সদস্যরা। আজ রাজা না থাকলেও সেই প্রাচীন প্রথা সমানভাবে বজায় আছে। আর তাই মকর সংক্রান্তির দিন ঘুড়ি নিয়ে রীতিমতো উৎসবের মেজাজ দেখা দেয় শহরে। বর্তমানে বর্ধমান শহরের বিভিন্ন জায়গায় শুরু হয়েছে ঘুড়ি বিক্রি।
advertisement
আরও পড়ুন: একাধিক পদে প্রচুর চাকরির সুযোগ পশ্চিম বর্ধমানে, দেরি না করে আজই আবেদন করুন
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
ঘুড়ি বিক্রেতা শেখ আলিম বলেন, “বহু বছর ধরে এই রীতি পালিত হয়ে আসছে। প্রতি বছর সংক্রান্তির দিন ঘুড়ি মেলা হয়। শহরের বিভিন্ন জায়গায় ঘুড়ি বিক্রি হয়। সংক্রান্তির প্রায় দেড় মাস আগে থেকে সবাই ঘুড়ি, লাটাই, সুতো কিনে ঘুড়ি ওড়াতে শুরু করেন।” বর্ধমান শহরে মকর সংক্রান্তি উপলক্ষে ঘুড়ি মেলার একটি পর্ব চলে আসছে। তবে শহরবাসীর কথায়, আগের থেকে উত্তেজনায় কিছুটা হলেও ভাটা পড়েছে। আগে সুতোয় মাঞ্জা দেওয়া হত, আর এখন রেডিমেড মাঞ্জা সুতো কিনতে পাওয়া যায়। ঘুড়িতেও প্রচুর নতুনত্ব এসেছে বর্তমানে।
দুই টাকা থেকে শুরু করে ১৫ টাকা দামের বড় ঘুড়িও পাওয়া যাচ্ছে বিভিন্ন দোকানে। ইতিমধ্যেই ঘুড়ির দোকানে ভিড় জমাতে শুরু করছেন শহরের বহু মানুষ। সংক্রান্তির দিনে শহর জুড়ে চলবে শুধু যুদ্ধ! বাড়ির ছাদ থেকে ঘুড়ি ওড়াবেন শতাধিক মানুষ। সংক্রান্তির দিনে ঘুড়ির লড়াই নিয়ে মেতে উঠবেন বর্ধমান শহরের একাধিক বাসিন্দা।
বনোয়ারীলাল চৌধুরী





