গ্রামে সকলের কাছে এই ভৃগুরামের পরিচয় ছিল বুড়োগোঁসাই নামে। বর্তমানে ওই ভৃগুরামের বংশধররাই এই পুজো করে আসছেন। পুজোর বিশেষ কিছু নিয়ম রীতিও রয়েছে। এই প্রসঙ্গে ভট্টাচার্য্য পরিবারের তরফ থেকে অসিত কুমার ভট্টাচার্য্য জানিয়েছেন, “নিয়ম অনুযায়ী সুস্থভাবে পুজো সম্পন্ন হয়েছে। লক্ষাধিক মানুষ গ্রাম জুড়ে ভিড় জমিয়েছেন পুজো দেওয়ার জন্য। গ্রামের মানুষ, পুলিশ প্রশাসন, স্থানীয় পঞ্চায়েত সাহায্য না করলে সুস্থভাবে পুজো সম্পন্ন হত না।”
advertisement
আরও পড়ুন: ৫২ রকমের ভাজা! তিন রকমের মাছ দিতে হয় মায়ের ভোগে! এই মা কালীর কাহিনি অবাক করবে
বড়বেলুনের মা বড়মায়ের উচ্চতা করা হয়েছে ২১ ফুট। বাঁশের ভাড়া লাগিয়ে ঠাকুর তৈরি করা হয়। এছাড়াও চক্ষুদান, অলংকার পরানো সবই হয় বাঁশের ভাড়ার উপর চেপেই। বড়বেলুনের মা বড়মায়ের এই পুজো দেখতে জেলা ছাড়িয়ে ভিন রাজ্য থেকেও অনেকে আসেন ।
আরও পড়ুন: মন থেকে ডাকলে মা খালি হাতে ফেরান না! এখনও মুঘল আমলের পুজো হয় বর্ধমানের এই গ্রামে
পুজোর দিন রাতে মন্দিরের সামনে পা ফেলার জায়গা থাকেনা। যত রাত গভীর হয় ততই ভিড় বাড়তে থাকে মন্দির প্রাঙ্গণে। একদম রাত থেকে শুরু হয়ে সূর্যোদয়ের আগে অবধি চলে পুজো। পরবর্তীতে সকালেও দূর দূরান্ত থেকে বহু ভক্ত আসেন পুজো দেওয়ার জন্য। সকালে পুজো দেওয়ার জন্য পরে লম্বা লাইন। এই পুজোকে কেন্দ্র করেই আনন্দে মেতে ওঠেন পুরো বড়বেলুন গ্রাম। প্রতিবছরের মতো এবারও ধূমধামের সঙ্গে সম্পন্ন হল বড়বেলুনের মা বড়মায়ের পুজো। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার জন্য মোতায়েন রয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী।
বনোয়ারীলাল চৌধুরী





