এই মেলায় প্রতিদিন লালনের বিভিন্ন সংগীত চর্চা হয়ে থাকে। স্থানীয় এবং বাইরের একাধিক শিল্পীরা এসে লালনের গানে মাতিয়ে তোলেন দুই প্রান্তের মানুষকে। তবে সম্প্রতি পার্শ্ববর্তী দেশ বাংলাদেশে অস্থির পরিস্থিতির কারণে এ বছর অপর প্রান্তের মানুষ এপার প্রান্তে লালনের মেলায় আসতে পারেনি বলে জানাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
advertisement
নদিয়া জেলার ভীমপুর থানার অন্তর্গত লালন তীর্থ কদমখালীতে লালন মেলাকে ঘিরে শুরুতেই জনপ্লাবন। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন ফকির ও বাউল শিল্পীদের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের জৈব প্রযুক্তি মন্ত্রী উজ্জ্বল বিশ্বাস। বাউল গানের মাধ্যমেই এই অনুষ্ঠানের সূচনা হয় চিরাচরিত প্রথা মেনে। এই অনুষ্ঠান মূলত জাতি ধর্ম নির্বিশেষে সম্প্রীতির বাণী এবং সকলকে নিয়ে একসঙ্গে থাকার শান্তির বার্তা প্রেরিত হয় সারা বিশ্ববাসীর কাছে লালন গীতির মাধ্যমে।
লালন
আরও পড়ুন: ডিমের কুসুমে রক্তের দাগ খেয়াল করেছেন কখনও? এমন ডিম খেয়ে ফেললে শরীরে কী হয় জানেন?
পার্শ্ববর্তী দেশ বাংলাদেশের অশান্তি যেভাবে ধীরে ধীরে এ দেশের পথে এগোচ্ছে তাতে একাধিক সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন সীমান্তবর্তী এলাকার মানুষেরা। আর সেই কারণেই পার্শ্ববর্তী দেশে লালনের এই মেলা আদতেও কতখানি এ বছর অনুষ্ঠিত হচ্ছে তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করছেন ভারতবর্ষের সীমান্তবর্তী এলাকার মানুষজনেরা। তবে লালনকে নিয়ে এপার বাংলা বেঁচে থাকবে লালনের গীতির মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়বে সারা বিশ্বে শান্তির বাণী, এমনটাই জানালেন অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত একাধিক অতিথি বৃন্দ।
Mainak Debnath





