বিভাগীয় রেল কর্তৃপক্ষ স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে ঘটনার একটি আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করেছে। প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে যে দাহ্য পদার্থের সংরক্ষণ বা ব্যবহার এই অগ্নিকাণ্ডের কারণ হতে পারে।
উল্লেখ্য, অতীতে সন্তোষপুর স্টেশনের নিকটেও অনুরূপ একটি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছিল। সেক্ষেত্রে অননুমোদিত বা স্টেশন সংলগ্ন দোকানে আগুন লাগার ফলে রেল পরিচালনায় ব্যাপক বিঘ্ন ঘটে এবং রেল অবকাঠামো ও যাত্রী নিরাপত্তার প্রতি গুরুতর ঝুঁকির সৃষ্টি হয়েছিল। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে শিয়ালদহ ডিভিশন দাবি করছে –
advertisement
দাহ্য পদার্থ পরিহার করুন: স্টেশন চত্বরের ভিতরে বা আশেপাশে কোনও ধরনের অত্যন্ত দাহ্য পদার্থ সংরক্ষণ বা ব্যবহার না করার জন্য কঠোর নির্দেশ জারি করা হয়েছে।
রেল সম্পদের সুরক্ষা: রেললাইনের নিকটে বা স্টেশন ভবনের কাছে আগুন লাগলে সিগন্যালিং ব্যবস্থা, ওভারহেড ইকুইপমেন্টসহ মূল্যবান রেল সম্পদের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে, যা ট্রেন চলাচলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
যাত্রী নিরাপত্তাই সর্বাগ্রে: সামান্য অবহেলাও বড় ধরনের দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে, যা প্রতিদিনের হাজার হাজার যাত্রীর জন্য গুরুতর ঝুঁকি ও ভোগান্তি ডেকে আনতে পারে।
এ প্রসঙ্গে শিয়ালদহ বিভাগের ডিভিশনাল রেলওয়ে ম্যানেজার শ্রী রাজীব সাক্সেনা বলেন, যাত্রীদের নিরাপত্তাই আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। রেললাইনের কাছে আগুন ব্যবহার করা শুধু বেআইনি নয়, অত্যন্ত বিপজ্জনকও। এর ফলে রেল সম্পদের ক্ষতি হতে পারে, রেল পরিষেবা ব্যাহত হতে পারে এবং যাত্রী ও রেলকর্মীদের জীবন বিপন্ন হতে পারে। নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন যাত্রা নিশ্চিত করতে সকলের সচেতন সহযোগিতা একান্ত প্রয়োজন।
