ইদানীং সিংহভাগ শিশুই মোবাইলে আসক্ত। এই সময়ে দাঁড়িয়ে ছড়ার বই, খেলনা ও প্রকৃতির সঙ্গে বেড়ে উঠছে ছোট্ট অর্ণিশ। শ্যামপুর বইমেলা থেকে কেনা প্রথম বই। একরত্তি খুদের নতুন কিছু শেখার প্রতি সে কী আকর্ষণ! দাদু দিদার চেষ্টায় সেই আগ্রহ আরও বৃদ্ধি পায়। দুই বছর এখনও পূর্ণ হয়নি, এরমধ্যেই অর্ণিশ বাংলার স্বরবর্ণ ও ব্যঞ্জনবর্ণ এবং ইংরেজি বর্ণমালার ২৬টি অক্ষর ও সংশ্লিষ্ট শব্দ বলতে পারে। গড়গড়িয়ে বলে চলে ‘আতা গাছে তোতা পাখি’ বা ‘টুইংকল টুইংকল লিটল স্টার’! বাস, প্লেন, অটোরিকশা-সহ ১৭টি যানবাহনের নাম, ১২টি সবজি, ১৪টি ফল, ২৪টি প্রাণী ও ২৩টি শরীরের অংশের নাম বলতে পারে, ১৩-১৫টি প্রাণীর আওয়াজ নকল করতে পারে, ১ থেকে ১০ পর্যন্ত সংখ্যা বলতে পারঢ, ২টি ধাঁধা সমাধান করতে পারে, আধো-আধো গলায় জাতীয় সঙ্গীতও গাইতেও পারে অর্ণিশ।
advertisement
মা রিয়া ধারা পেশায় কমিউনিটি হেলথ অফিসার। দিনের বেশিরভাগ সময়টায় বাড়ির বাইরে থাকেন। বাবা অরিন্দম ধারা আন্দামান দ্বীপপুঞ্জে হাওয়া অফিসের কর্মচারী। দাদু-দিদার আদরেই বড় হয়ে উঠছে অর্ণিশ। এক মাত্র নাতির জীবনে সুশিক্ষার ভীত শক্ত করতে নিজেদের মোবাইল ফোন বিসর্জন দিয়েছেন দাদু তপন জানা ও দিদা শর্মিলা জানা।
রাকেশ মাইতি





