বর্তমান সময়ে জেলার পরিবেশ কর্মীদের একজন ভরসার মানুষ হয়ে উঠেছেন অরুণাভ। পরিবেশ রক্ষায় পরিবেশকর্মীদের নানা কাজের সহযোগিতার পাশাপাশি ছাত্র-ছাত্রীদের পরিবেশ প্রেম জাগাতে কখনও স্কুল প্রাঙ্গণে সচেতন শিবিরে হাজির, আবার কখনও রাজনৈতিক মঞ্চ থেকে প্রকৃতি রক্ষার বার্তা দিচ্ছেন সাধারণ মানুষকে। প্রকৃতি এবং পরিবেশ রক্ষায় একজন বিধায়ক হিসাবে সাধারণ মানুষের মন জয় করেছেন তিনি।
advertisement
এলাকায় অপ্রয়োজনীয় ভাবে গাছ কাটায় হ্রাস টানতে পদক্ষেপ করছেন অরুণাভ। কয়েক মাস আগে অবৈধভাবে গাছ কাটা রুখতে বিধায়ক স্বয়ং পৌঁছে গিয়েছিলেন ঘটনাস্থলে। জরিমানা পর্যন্ত করতে বাধ্য করেছেন তিনি। বন্যপ্রাণীর জীবন বাঁচাতে, মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে বন্যপ্রাণী উদ্ধার এবং মুক্ত করার কর্মসূচিতে শামিল হচ্ছেন তিনি। পরিবেশ রক্ষার বার্তায় ম্যারাথনেও অংশগ্রহণ করতে দেখা গিয়েছে এই বিধায়ককে।
বিধায়ক অরুণাভ সেন বলেন, “প্রকৃতি এবং পরিবেশ রক্ষায় সমস্ত মানুষকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। পৃথিবীর উষ্ণতা বাড়ছে। মানুষের মধ্যে যথার্থ সচেতনতার অভাব রয়েছে। যে কারণে দ্রুত হারে প্রকৃতি দূষিত হচ্ছে। ভূগর্ভস্থ জল কমে আসছে। আগামী দিনে হয়তো, এই জল নিয়ে বিশ্বযুদ্ধ তৈরি হতে পারে। এখনই প্রকৃতি সম্পর্কে সমস্ত মানুষ সচেতন না হলে আগামী দিন আরও ভয়ঙ্কর হতে পারে।”
পরিবেশকর্মী চিত্রক প্রামাণিক বলেন,”পরিবেশ রক্ষার কর্মসূচি পৃথিবীজুড়ে আরও জোরদার হওয়া প্রয়োজন। শুধুমাত্র পরিবেশ কর্মী বা কিছু সংখ্যক মানুষ নয়, সকলকে এগিয়ে আসতে হবে পরিবেশ এবং প্রকৃতির রক্ষায়। কিন্তু দুঃখের বিষয় হল অধিকাংশ মানুষের মধ্যে প্রকৃত পরিবেশ রক্ষার চিন্তাভাবনা কম। বর্তমান সময়ে বন্যপ্রাণ ও পরিবেশ রক্ষার ক্ষেত্রে জনপ্রতিনিধিদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হওয়া প্রয়োজন। যাদের মাধ্যমে বেশি সংখ্যক মানুষ এই সচেতনতার কাজে সামিল হবেন। বন্যপ্রাণী এবং পরিবেশ রক্ষায় জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে সেভাবে উদ্যোগ দেখা যায় না। সেই দিক থেকে বাগনান কেন্দ্রের বিধায়ক অরুণাভ সেনের ভূমিকা অনন্য।”
রাকেশ মাইতি





