এ সময় গ্রামের হাটবাজারে এ বড়ি খুব বেশি দেখা যায়। তবে শুধুমাত্র গ্রামই নয়, শহরেও এখন এর জনপ্রিয়তা দিগুণ রয়েছে। ব্যাপক চাহিদা আছে বলেই ডালের বড়ি বানিয়ে স্বাবলম্বী হচ্ছেন অনেকেই। তবে জানেন কি খুব সহজেই বাড়িতে চালকুমরো দিয়ে মাসকলাই বড়ি বানাতে পারবেন আপনিও।
আরও পড়ুন: বুধ-রাহুর মহামিলন! ৩ রাশির সাফল্যের দরজা খুলে যাবে, হাতে কুবেরের ধন
advertisement
প্রথমেই যাঁতাকল বসিয়ে তাতে মাসকলাই অল্প পরিমাণে দিয়ে একটি দন্ডের সাহায্যে আস্তে আস্তে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে ডাল গুলো ভাঙিয়ে নিতে হবে। তবে খেয়াল রাখতে হবে ডাল যেন একেবারেই গুঁড়ো গুঁড়ো না হয়ে যায়। এভাবেই সবগুলো ডাল যাঁতাকলে ভাঙিয়ে নিতে হবে। এরপর বড়ি দেওয়ার ঠিক আগেরদিন রাতভোর ভাঙিয়ে নেওয়া মাসকলাই গুলো জলে ভিজিয়ে রাখতে হবে। এতে ডাল থেকে সহজেই কালো খোসা উঠে আসবে।
এইভাবেই সারা রাত রেখে পরদিন একবার দুবার নয়, বারংবার ধুয়ে পরিষ্কার করে নিতে হবে মাসকলাই। চেষ্টা করতে হবে যাতে ডালের খোসা একটিও না থাকে। তাই হাতের সাহায্যে বারবার ডাল থেকে খোসা ছাড়িয়ে নিতে হবে। এতে বড়িগুলো পুরোপুরি সাদা ধবধবে হয়।
অপরদিকে, একটি চাল কুমড়ো মাঝ বরাবর কেটে বীজ ফেলে দিয়ে এরপর তা ঝুড়ি ঝুড়ি করে নিতে হবে। তবে খেয়াল রাখতে হবে ঝুড়িটা যেন মিহি হয়। এরপর ধুয়ে রাখা ডাল শীল নোরায় বেশ ভালভাবে মিহি করে বেটে নিতে হবে। এক্ষেত্রে মিক্সি মেশিন ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে পাটায় বাটলে বড়ির টেস্ট ভাল হয়। সবশেষে কেটে রাখা কুমড়ো বেটে রাখা ডালের সঙ্গে বেশ ভালভাবে মিশিয়ে নিতে হবে। তবে এক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে মিশ্রণ ফেটানো যত ভাল হবে বড়ি তত ভাল হবে।
এভাবেই বেশ ভালভাবে ফেটিয়ে নিয়ে নেট হোক বা ফ্রেস কাপড়ের উপর বড়ি আকারে নিজস্ব মাপ অনুযায়ী ছোট বড় সাজিয়ে দিতে হবে। প্রখর রোদে দু থেকে তিন দিন বেশ ভালভাবে বড়ির এপিঠ ওপিঠ শুকিয়ে নিলেই ভেজাল মুক্ত বড়ি বাড়িতেই তৈরি। একটি টাইট পাত্রে সারাবছর রেখে রকমারি সবজির সঙ্গে খেতে পারেন এই মাসকলাই বড়ি।
সুস্মিতা গোস্বামী





