হুগলির বৈদ্যবাটি পৌরসভা ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের দারিদ্র জঙ্গল রোডের বাসিন্দা ওই তরুণ অতনু হালদার। বৈদ্যবাটি বনমালী মুখার্জি ইনস্টিটিউটের একাদশ শ্রেণীর কলা বিভাগের ছাত্র অতনু। বিশ্বের আঙিনায় যোগাসন প্রতিযোগিতায় পৌঁছান যে কতটা কঠিন তা সে ভাল মতই জানে। তবে পারিবারিক অবস্থার মধ্যে সে কীভাবে বিশ্ব যোগাসনে প্রতিযোগী হবে তা নিয়ে দুশ্চিন্তা থাকলেও যদি একবার সেখানে পৌঁছাতে পারে তাহলে দাঁতের দাঁত চেপে হলেও নিজের সেরা পারফরমেন্সটা দেবে এমনটাই জানিয়েছে অতনু।
advertisement
আরও পড়ুন: প্রয়াগরাজ থেকে বাইকে চেপে হুগলিতে এলেন সাধু ‘বুলেট বাবা’! দেখতে মানুষের ভিড়
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
অতনুর বাবা সঞ্জয় হালদার একজন ভ্যানচালক। মা বুলু হালদার তিনি জানান, ভিয়েতনামে যাওয়ার জন্য ৩৫ হাজার টাকা পাঠানোর কথা ছিল সোমবারের মধ্যে। কিন্তু সেই টাকা জোগাড় হয়ে ওঠেনি এখনও। রাজ্য যোগা সংস্থার কাছে আরও পাঁচ দিন সময় চেয়েছেন তারা। তিনি বলেন, ছেলের স্কুল ক্লাবের প্রশিক্ষক স্থানীয় পুরপ্রতিনিধি পুরপ্রধান বিধায়ক সকলকে জানিয়েছেন তিনি এ বিষয়ে। সকলের থেকেই আশ্বাস পেয়েছেন কিন্তু অর্থ জোগার এখনও হয়ে ওঠেনি।
এই বিষয়ে অতনু জানায়, প্রাথমিক বিদ্যালয় উচ্চ বিদ্যালয় মহাকুমা জেলা রাজ্য স্তরে সাফল্য আসার পর এখন বিশ্বের দরবারে তার ডাক এসেছে। এবারের প্রথম জাতীয় স্তরে নেমে সাফল্য পেয়েছে সে। তার স্বপ্ন রয়েছে ভিয়েতনামে গিয়ে দেশের নাম উজ্জ্বল করার। অপেক্ষা শুধু অর্থ সংস্থানের।
রাহী হালদার





