গণেশপুজো আয়োজনে মূর্তি তৈরি করানো, ডেকোরেশন থেকে পুরোহিত ডাকা, সামান্যতম ত্রুটিও রাখা হয়নি উপাচার্যের তরফে। সরস্বতী পুজো পর্যন্ত ঠিক আছে, তাই বলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের ঘরের সামনে সাড়ম্বরে গণেশ পুজো? স্বাভাবিক ভাবেই শুরু হয়েছে বিতর্ক। জানালেন, ‘গণেশ সিদ্ধিদাতা, বিঘ্নহর্তা। কোনও কিছুই তাঁর আশীর্বাদ ছাড়া সম্ভব নয়। তাই বিশ্ববিদ্যালয়ে গণেশপুজোর সূচনা।’ অনেক রকমের পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর। এই গণেশ মূর্তির বিসর্জন হবে না। এখানেই স্থায়ীভাবে থাকবে। প্রতিদিন আরাধ্য দেবতার গলায় মালা দেবেন তিনি। এও জানালেন, ভবিষ্যতে বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে বিশ্বকর্মা, সরস্বতী পুজো থেকে শুরু করে আরও যা যা পুজো করা সম্ভব তাও করবেন।
advertisement
বিষয়টিকে বাঁকা চোখে দেখছেন অনেকেই। এসএফআইয়ের বক্তব্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের এইধরণের আচরণ পড়ুয়াদের বিজ্ঞান চেতনার ক্ষেত্রে কতটা বিকাশ ঘটাবে তা নিয়ে সন্দেহ আছে।
