সেই কারণে জল ছাড়া হয়েছে বেশ কিছু জলাধার থেকে । তাতেই ডুবেছে বেশ কিছু কজওয়ে। যেমন লাভপুরে বন্যা পরিস্থিতির আশঙ্কা গ্রামবাসীদের। বন্যা পরিস্থিতির মোকাবিলায় প্রশাসন তৎপর রয়েছে। প্রায় ১০ দিন থেকে আকাশের মুখ ভার। তারই মধ্যে বুধবার সারাদিন লাগামছাড়া বৃষ্টি বীরভূম ও ঝাড়খন্ডে। তাতেই জলস্তর বেড়েছে বীরভূমের নদী গুলির। জলাধার গুলি থেকেও ছাড়া হচ্ছে জল।
advertisement
যেমন ময়ূরাক্ষী নদীর তিলপাড়া জলাধার থেকে প্রায় ২৫০০ কিউসেক জল ছাড়া হয়েছে।হিংলো জলাধার থেকে ছাড়া হয়েছে ৪০০০ কিউসেক জল। এছাড়াও ব্রাহ্মণী নদীর জলাধার থেকে ছাড়া হয়েছে ২১২৬ কিউসেক জল। জলাধার থেকে জল ছাড়া ও নদীর জলস্তর বাড়ার কারণে ডুবেছে বেশ কিছু কজওয়ে। ভেঙেছে ফেরিঘাট। আরও কিছু কজওয়ে ডুবে যাওয়ার আশঙ্কা।
যেমন শাল নদীর জলস্তর বাড়ায় দুবরাজপুরে ডুবেছে কজওয়ে। হিংলো জলাধার থেকে জল ছাড়ায় খয়রাশোলে ডুবেছে কজওয়ে। এছাড়াও তিলপাড়া থেকে জল ছাড়ায় ভেঙেছে সাঁইথিয়ার ফেরিঘাট। গতকাল রাতের পর থেকে ধীরে ধীরে ডুবতে শুরু করে সাঁইথিয়ার ফেরিঘাট।অন্যদিকে লাভপুরের কুয়ে নদীর জল বাড়ায় ডুবেছে কজওয়ে। এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে আতঙ্কের বাতাবরণ। কারণ গতবছর এই কুয়ে নদীর বাঁধ ভেঙ্গে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল এলাকায়। তবে এদিন সকাল থেকে আকাশের মুখ ভার থাকলেও তেমন ভাবে বৃষ্টিপাতের কোনও খবর নেই বীরভূম এবং ঝাড়খন্ড লাগোয়া এলাকায়।





