এই প্রসঙ্গে নবদ্বীপ বৈষ্ণব সমাজের অধিকর্তা সুধীন গোস্বামী জানান, ঈশ্বরের কাছে গরম বা ঠান্ডার কোনও অনুভূতি না থাকলেও ভক্তরা ঈশ্বরকে আত্মবৎ সেবা করেন। মানুষ যেমন প্রবল শীতে গরম জামা পরে থাকেন, ঠিক তেমনভাবেই ভক্তিভরে মহাপ্রভুর শীতের সেবা করা হয়। তিনি আরও জানান, শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু-র জন্য বালাপোষের পাশাপাশি বিশেষ এক ধরনের আতর ব্যবহৃত হয়, যা রাজস্থান থেকে আনা হয়। বিশ্বাস করা হয়, এই আতর মহাপ্রভুর অঙ্গে লাগালে উষ্ণতা বৃদ্ধি পায় এবং চারদিকে এক মনোরম সুগন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। একই বালাপোষের কাপড় দিয়েই তৈরি করা হয় বিগ্রহের টুপি, মোজা ও সোয়েটার।
advertisement
শুধু মহাপ্রভু নন, নবদ্বীপের অধিকাংশ মন্দিরেই অন্যান্য বিগ্রহদেরও এইভাবে শীতের পোশাকে সাজানো হয়। শীতের সকালে ও সন্ধ্যায় এই অপূর্ব সাজ দর্শনে ভক্তদের ভিড় চোখে পড়ার মতো। ভক্তি, বিশ্বাস ও পরম্পরার মেলবন্ধনে শীতের নবদ্বীপ আরও একবার তার ঐতিহ্যকে উজ্জ্বল করে