এই খাদ্য উৎসবে অভিভাবকদের জন্য একটি প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। প্রতিযোগিতায় প্রতিটি ছাত্র-ছাত্রী তাদের অভিভাবকের সহযোগিতায় বাড়ি থেকে পুষ্টিকর টিফিন তৈরি করে নিয়ে আসে। টিফিনগুলিকে পুষ্টি, স্বাদ এবং বৈচিত্র্যের দিক থেকে যাচাই করা হয়। শিক্ষকরা সব টিফিন পর্যবেক্ষণ করেন এবং নির্ধারণ করেন কোন টিফিন সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর এবং পুষ্টিকর। যারা এই দিক থেকে সেরা হয়, তাদেরকে চ্যাম্পিয়ন হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
advertisement
আরও পড়ুন: ডাক বিভাগের দৌলতে অভাবের দিন শেষ, শিল্পীদের পকেটে ঢুকেছে মোটা টাকা! এক ফোনেই ঘরে পৌঁছবে ছৌ মুখোশ
প্রতিযোগিতা শুধু মজার জন্য নয়, বরং শিশুদের এবং অভিভাবকদের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর জন্য। প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া টিফিনগুলিতে অভিভাবকদের সৃজনশীলতা স্পষ্টভাবে দেখা গিয়েছে। কারও টিফিনে ছিল পুষ্টিকর স্যান্ডউইচ, আবার কারও টিফিনে খিচুড়ি। কিছু টিফিনে রাখা ছিল খেজুর গুড়ের পিঠে। এছাড়া ছিল বিভিন্ন ধরনের মৌসুমী ফল এবং হালকা স্বাস্থ্যকর খাবার। প্রতিটি টিফিনই স্বাস্থ্যকর, পুষ্টিকর এবং শিশুর জন্য উপযোগী ছিল। ছাত্র-ছাত্রীরাও এই খাদ্য উৎসবে আনন্দে মেতে উঠে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
বিদ্যালয়ের উদ্যোগে এই ধরনের খাদ্য উৎসব স্থানীয় বুদ্ধিজীবী মহলও প্রশংসা করেছে। তাঁরা বলছেন, এমন আয়োজনের মাধ্যমে অভিভাবকরা সচেতন হচ্ছেন এবং শিশুদের মধ্যে স্বাস্থ্যকর খাবারের অভ্যাস গড়ে উঠছে। শিক্ষকদের মতে, এই আয়োজন শিশুদের শিক্ষা এবং স্বাস্থ্য দুটোই উন্নত করবে। তারা আশা করছেন, ভবিষ্যতেও এই ধরনের খাদ্য উৎসব চালু থাকবে। এতে শুধু শিক্ষার্থীর স্বাস্থ্যের উন্নতি হবে না, বরং অভিভাবকদের মধ্যে সচেতনতা এবং স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস তৈরিতে সহায়তা করবে।





