আবার দোকানগুলি কোনও অগ্নি নির্বাপকের ব্যবস্থাও রাখেনি। এমনকি ঘিঞ্জি বাজার হওয়ায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। একদিকে ঘিঞ্জি বাজার অন্যদিকে রাস্তা শুরু হওয়ায় প্রবেশ করতে পারে না দমকলের গাড়ি। আগুনের সর্বস্ব পুড়ে খাক হয়। এছাড়াও গৃহস্থের বাড়িতে বিভিন্ন কারণে আগুন লাগে। মূলত দেখা যায় সচেতনতার অভাব। বর্তমান সময়ে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক রান্নার জিনিসপত্র থেকেও আগুন ছড়ায়। বিভিন্ন অগ্নিকাণ্ডের সময় দেখা যায় শুধুমাত্র মানুষের মধ্যে সচেতনতার অভাব রয়েছে। যার ফলে ছোট আগুন বড়সড় অগ্নিকাণ্ডে পরিণত হচ্ছে। কিন্তু কোথাও অগ্নিকাণ্ডের মাঝে এটকে পড়লে মাথায় রাখতে হবে কয়েকটি ছোট্ট টিপস। তাহলেই সহজে জীবনে রক্ষা করে যাবে।
advertisement
এ বিষয়ে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ডিভিশনাল ফায়ার অফিসার শুভ্রাংশু মজুমদার জানান, ” আগুন নিয়ে মানুষের মধ্যে সচেতনতার অভাব রয়েছে। গৃহস্থের বাড়িতে রান্না করার গ্যাস এবং অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক রান্নার জিনিসপত্র থেকে আগুন ছড়ায়। আগুন লাগার পর প্রাথমিকভাবে সচেতন না হওয়ায় বড়সড় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। বড় বাজারগুলিতে দেখা যায় ফায়ার সেফটির লাইসেন্স ছাড়া দোকানঘর গড়ে তোলা হয়েছে। এমনকি ন্যূনতম অগ্নি নির্বাপকের ব্যবস্থা নেই। যার ফলে বড়সড় অগ্নিকাণ্ড ঘটে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
আগুন লাগলে প্রথমেই নিভিয়ে ফেলার উপায় না থাকায় সবকিছু পুড়ে খাক হয়। দমকলের গাড়ি যাওয়ার আগেই মানুষ নিজেরা সচেতন থাকলে আগুন দ্রুত ছড়াবে না।” সম্প্রতি পূর্ব মেদিনীপুর জেলার বিভিন্ন প্রান্তে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার বেশ কিছু জায়গায় ঘিঞ্জি বাজার রয়েছে। এছাড়াও সাধারণ মানুষের মধ্যে আগুন নিয়ে সচেতনতার অভাব রয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ফায়ার ডিভিশনাল অফিস সাধারণ মানুষকে সচেতন করার উদ্যোগী হয়েছে। আগামী দিনে জেলা জুড়ে বড়সড় অগ্নি সংযোগ এর ঘটনা রুখতে আরও বেশি মানুষকে সচেতনতা পাঠ পড়াবে দমকল বাহিনী।





