বর্তমানে বর্ধমানে সরকারি উদ্যোগে আয়োজিত মেলায় দেখা যাচ্ছে সেই চিরচেনা ঐতিহ্যের আধুনিক রূপ। শিল্পীদের নিপুণ হাতের ছোঁয়ায় বাঁশ হয়ে উঠেছে ড্রয়িং রুমের শো-পিস থেকে শুরু করে নিত্য প্রয়োজনীয় ব্যবহার্য সামগ্রী। যা কিনতে মেলায় মেলায় ভিড় জমাচ্ছেন বর্ধমানবাসী। হারিয়ে যেতে বসা গ্রাম বাংলার বহু ঐতিহ্য নতুন করে প্রাণ ফিরে পাচ্ছে বিভিন্ন মেলার মাধ্যমে। বাঁশ শিল্পীরাও পাচ্ছেন নতুন দিশা। বছরের অন্যান্য সময় গ্রাম বাংলার দিকে ঝুড়ি ও ঢাকনার বিক্রি হলেও সেভাবে চাহিদা থাকে না বললেই চলে।
advertisement
আরও পড়ুন: বছরের শুরুতে বড় সুখবর, প্রতিরক্ষা মন্ত্রক দিল সবুজ সংকেত! ব্যারাকপুর ধোবিঘাটে চালু হচ্ছে লোহার জেটি
তাই তারা সারা বছর অপেক্ষা করে থাকেন দুর্গাপুজো ও শীতকালীন মেলাগুলির জন্য। শীতকালীন মেলাগুলিতে তারা আসেন সপরিবারে। বিভিন্ন নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রীর পাশাপাশি তারা তৈরি করেন ঘর সাজানোর জিনিসও। এক শিল্পী বলেন, আগে এই জিনিসের কদর থাকলেও এখন অনেকটা কম।মূলত দুর্গাপুজোর সময় আমাদের এই জিনিস বিক্রি হত। সারাবছর সেই ভাবে চলত না। তবে এই সরকারি মেলারগুলির উদ্যোগে অনেকটা আয় বেড়েছে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আমরা এই মেলাগুলির জন্য অপেক্ষায় থাকি। কয়েক মাস আগে থেকেই জিনিস তৈরি করে মজুত করতে হয় এই মেলার জন্য। তবে শুধু সরকারি মেলা নয়, বেসরকারি মেলা থেকে ভাল আয় হয় বলেও জানান তিনি। সরকারি ও বেসরকারি এই মেলাগুলি কেবল বাণিজ্যের আঙিনা নয়, বরং বাংলার হারিয়ে যাওয়া লোকশিল্পের নতুন দিশা দেখাচ্ছে। একদিকে যেমন বর্ধমানের মানুষের ঘরের অন্দরমহল সেজে উঠছে বাঁশ শিল্পের শৈল্পিক ছোঁয়ায়, অন্যদিকে শিল্পীরাও পাচ্ছেন বাঁচার স্বপ্ন।





