বাঁধিয়া গ্রাম পঞ্চায়েত এবং মাতঙ্গিনী সংঘের উদ্যোগে আয়োজন করা হয়েছে এই পিঠে পুলি উৎসব। এ বছর এই উৎসব ষষ্ঠ বছরে পদার্পণ করল। প্রতি বছরই আয়োজন আরও বড় হচ্ছে। স্থানীয় মহিলাদের হাতে তৈরি নানা ধরনের পিঠে এখানে বিক্রি হচ্ছে। ভাপাপুলি, দুধপুলি, চিতই পিঠে, পাটিসাপটা, তিল পিঠে, নারকেল পিঠে—সবই পাওয়া যাচ্ছে এক জায়গায়। প্রতিটি পিঠেই রয়েছে ঘরোয়া স্বাদ। রাসায়নিকমুক্ত উপকরণে তৈরি এই পিঠেগুলি খেতেও যেমন সুস্বাদু, তেমনই স্বাস্থ্যকর।
advertisement
পূর্ব মেদিনীপুরের দিঘার কাছেই হওয়ায় এই পিঠে পুলি উৎসব ঘিরে আলাদা আকর্ষণ তৈরি হয়েছে। শুরুর দিন থেকেই ভিড় জমাচ্ছেন পর্যটক থেকে শুরু করে স্থানীয় পিঠে প্রেমীরা। দিঘায় ঘুরতে এসে অনেকেই পা বাড়াচ্ছেন এই মেলায়। শিশু থেকে বৃদ্ধ—সব বয়সের মানুষেরই পছন্দের কিছু না কিছু পিঠে এখানে রয়েছে। দামও রাখা হয়েছে সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যেই। অল্প খরচে পেট ভরে পিঠে খেতে পারছেন ক্রেতারা। ফলে খুশি বিক্রেতারাও।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
পিঠে পুলি উৎসবের শুভ সূচনা হয় প্রদীপ প্রজ্বালনের মাধ্যমে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও ক্লাব কর্তৃপক্ষের সদস্যরা। তাঁরা জানান, গ্রামবাংলার হারিয়ে যেতে বসা সংস্কৃতিকে ধরে রাখতেই এই উদ্যোগ। আগামী দিনেও এই উৎসব আরও বড় পরিসরে করার পরিকল্পনা রয়েছে। শীতের আমেজে পিঠে-পুলির স্বাদ নিতে চাইলে দিঘার কাছের এই মেলায় এখন সেরা ঠিকানা।





