নাচিন্দায় কলকাতাগামী বাসের সঙ্গে মুখোমুখি ধাক্কা লাগে বাইকের, ছিটকে পড়েন ২ বাইক আরোহী। সংঘাতের জেরে দুমড়ে মুচড়ে যায় বাইকটি। ঘটনাস্থলে আসে মারিশদা থানার পুলিশ। আশঙ্কাজনক অবস্থায় দু’জনকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাঁদের মৃত ঘোষণা করে। জানা গিয়েছে, দু’জনেরই বাড়ি কালিনগর এলাকায়।
দিঘা-নন্দকুমার ১১৬বি জাতীয় সড়কে প্রায়শই ভয়াবহ বাইক দুর্ঘটনা ঘটে। গত বছর নভেম্বরে দিঘা-নন্দকুমার ১১৬বি জাতীয় সড়কে বাইক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান এক বাইক আরোহী। আহত হন আরও তিনজন। ঘটনাটি ঘটে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার মারিশদা থানার অন্তর্গত তেলিপুকুর এলাকায়। দিঘা-নন্দকুমার ১১৬বি জাতীয় সড়কের মারিশদা থানা এলাকার তেলিপুকুরে একটি লরি বেপরোয়া গতিতে এসে একটি বাইকের পিছনে সজরে ধাক্কা মারে। দুমড়ে মুচড়ে যায় বাইকটি। গতিবেগ এতটাই বেশি ছিল যে পাশের চায়ের দোকান ভেঙে চুরমার হয়ে যায়। ভয়াবহ এই দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান বাইক আরোহী। গুরুতর আহত হন চায়ের দোকানদার-সহ আরও দুই ব্যক্তি।
advertisement
গত বছর মার্চ মাসে নন্দকুমার-দিঘা ১১৬ নম্বর জাতীয় সড়কের হেড়িয়ায় বাইক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান বছর ২৭-এর যুবক। মোটরবাইকে কৃষ্ণনগর থেকে হেড়িয়া যাচ্ছিলেন শুভঙ্কর চণ্ডি (২৭) এবং তাঁর বন্ধু শঙ্করপ্রসাদ দলুই। দু’জনের বাড়িই কৃষ্ণনগর এলাকায়। মোটরবাইকের গতি অনেক বেশি ছিল। পিছন থেকে আসা একটি লরি বাইকে ধাক্কা দেয়। তার ফলে জাতীয় সড়কে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন শঙ্করপ্রসাদ। বাইক থেকে তিনি ও তাঁর পিছনের আরোহী শুভঙ্কর ছিটকে পড়েন। গুরুতর আহত হন দু’জনেই। স্থানীয় বাসিন্দারারাই তাঁদের উদ্ধার করে প্রথমে হেড়িয়া প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যান। পরে তাঁদের তমলুক মেডিক্যাল কলেজে স্থানান্তরিত করা হয়। সেখানেই চিকিৎসকরা শুভঙ্করকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
