আরও পড়ুন: শিক্ষক দিবসে অঙ্ক স্যারের উপহার! নিজের সংগ্রহের বইয়ে স্কুলে তিনিই চলমান লাইব্রেরি
এক চালার মধ্যে থাকে সাবেকি ঘরানার দুর্গা প্রতিমা, যেখানে সুনিপুণ কারুকার্যের মধ্যে থাকে মা দুর্গা ও তার দুই পাশে তার ছেলে মেয়েরা। বড় বড় ঠাকুরের মূর্তিতে আমরা যা দেখতে পাই এই ছোট মূর্তিগুলোতেও সমস্ত জিনিসই দেখতে পাওয়া যাবে এক চালিতে । তবে কলকাতায় পৌঁছানোর পরিবহনের কথা ভেবে সম্পূর্ণ সেটিং টা হয় কলকাতার কুমারটুলিতেই, এখান থেকে দূর্গা অসুর, লক্ষ্মী গণেশ সরস্বতী কার্তিক আলাদা আলাদা পুতুল হিসেবে সেক্ষেত্রে নিয়ে যাওয়ার সুবিধা এবং সুরক্ষিতও থাকে তাতে। কিন্তু শিল্পী গৌর পাল জানাচ্ছেন বড় মূর্তি তৈরি করার থেকে ছোট মূর্তি তৈরি করতে অনেক শ্রম ও সময় সাপেক্ষ এছাড়াও ধৈর্যেরও দরকার যথেষ্টই। কারণ নিখুঁত একটি ছোট প্রতিমা তৈরি করতে অনেক সূক্ষ্ম কাজ করতে হয় যাতে সাধারণ দুর্গা প্রতিমা তৈরির থেকেও বেশি সময় ব্যয় করতে হয়। তিনি তৈরি করে থাকেন কুঁড়ি ইঞ্চি থেকে শুরু করে চার ফুটের মধ্যে সমস্ত দুর্গা ঠাকুরের একচালার মূর্তি। যেগুলি তিনি পাইকারি হিসেবে কলকাতার কুমোরটুলিতে বিক্রি করেন।
advertisement
আরও পড়ুন: খেলায় নয় এবার লিগ বাদ্যযন্ত্রে! হারমনিকার লিগ নদিয়ায়
এই ঠাকুরগুলি মূলত বিভিন্ন আবাসনে এছাড়াও বিভিন্ন থিমের পুজোর নিচে এই মূর্তি বসিয়ে করে পুজো করা হয়। এছাড়াও তিনি তৈরি করে থাকেন বিভিন্ন দুর্গার মুখ। যা কিনা ঘরের শোভা বাড়াতে কিংবা দোকানে অনেকেই কিনে থাকেন। ছোট আকারের একচালা দুর্গা মূর্তি গুলি প্রায় দুই থেকে আড়াই হাজার টাকা করে তিনি পাইকারি হিসেবে বিক্রি করে থাকেন কুমোরটুলিতে। এবছর প্রায় ছোট বড় মিলিয়ে ৫০টির কাছাকাছি বরাত নিয়েছেন তিনি। গৌর পাল জানান, এর আগে তার বাবা এই কাজ করতেন। বর্তমানে তিনি এখন দিনরাত এক করে মূর্তি করে চলেছেন। তবে বড় প্রতিমার থেকেও ছোট মূর্তি বর্তমানে চাহিদা বেশি থাকায় আপাতত সেই মূর্তি গড়ার কাজেই ব্যস্ত শান্তিপুর চৌগাছা পাড়ার শিল্পী গৌর পাল।
আরও খবর পড়তে ফলো করুন
https://whatsapp.com/channel/0029VaA776LIN9is56YiLj3F
Mainak Debnath





