মূলত জেলার তিনটি জায়গা থেকে বাস চলত বেশি পরিমানে। বনগাঁর মতিগঞ্জ ইছামতী বাস টার্মিনাল থেকে বসিরহাট-হাসনাবাদ এবং বারাসতের তিতুমীর বাস টার্মিনাল। এই তিনটি বাস টার্মিনাল থেকে ৫৯টি রুটে বাস চলত, এখন জেলাজুড়ে ৪০-৪৫টি রুট চলছে। বাসের রুট বন্ধ হতে থাকায় হতাশা বাস মালিকরাও।
advertisement
এ বিষয়ে বারাসত তিতুমীর বাসস্ট্যান্ড ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের কনভেনার অমলেন্দু ঘোষ জানান, গত দু-তিন বছর আগেও এই টার্মিনাল থেকে বেসরকারি বাস চলত প্রায় ৮০০। আজ সেই বাসের সংখ্যা ৬০০ থেকে ৬৫০ এর মধ্যে। প্রতি রুটে বাসের সংখ্যা অর্ধেক হয়ে গিয়েছে, টার্মিনালের বাইরে ৩০টি বাস বেসরকারি উদ্যোগে চলে।
বনগাঁ মতিগঞ্জ বাস টার্মিনাল নিয়ে বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার আইএনটিটিইউসির সভাপতি নারায়ণ ঘোষ জানান, বনগাঁর মানুষের কলকাতার বিভিন্ন হাসপাতাল, কর্মস্থলে যেতে ট্রেনই ভরসা। আগামী দিনে বনগাঁ থেকে এসি বাস পরিষেবা দেওয়ার ভাবনাচিন্তা করা হচ্ছে। মানুষজন টোটো, অটো, ট্রেকার, গাড়িতে যাতায়াত করছেন বেশি।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
বাস পরিষেবা নিয়ে এক কলেজ পড়ুয়া বলেন, যেখানে ট্রেনে ৫ টাকার টিকিটে পৌঁছানো যায় গন্তব্যে, সেখানে বাসে করে যেতে হলে লাগে প্রায় ১৮-২০ টাকা। কেন কেউ বাসে যাবে! তা ছাড়া ট্রেন রুটে যানজটের কোনও ভোগান্তি নেই।
বাস রুট বিলুপ্তি নিয়ে বারাসত সাংগঠনিক জেলার আইএনটিটিইউসি সভাপতি তথা বারসত পুরসভার উপ পুরপ্রধান তাপস দাশগুপ্তের কথায়, নতুন করে বাস কিনে রুটে চালাবে এমন ব্যবসায়ী পাওয়া মুশকিল। বিভিন্ন ক্যাব সার্ভিসের কারণে বাস থেকে যাত্রীরা মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন। ফলে আগামী দিনে জেলার বাস পরিষেবা তলানিতে ঠেকতে চলেছে বলেই মত বিশেষজ্ঞ মহলের।






