বর্ধমান শহরে ১৫ ও ১৬ সেপ্টেম্বর প্রকাশ্যে লটারির মাধ্যমে টোটোর রুট ভাগ করে দেওয়া হবে। ইতিমধ্যেই কোন ওয়ার্ডে কত টোটো চলে তার তালিকা তৈরি করা হয়েছে। যে টোটোচালক যে এলাকার বাসিন্দা তাঁকে তাঁর কাছের রুটে টোটো চালানোর অনুমতি দেওয়া হবে। এত দিন বর্ধমান রেল স্টেশন, বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল চত্বর, খোশবাগান,কোর্ট কম্পাউন্ড এলাকায় বাড়তি যাত্রী পাওয়ার আশায় টোটোচালকরা ভিড় করতেন।
advertisement
অনেক টোটো এক জায়গায় যাত্রীদের অপেক্ষায় দাঁড়ানোয় যানজট এই শহরের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছিল। রুট ভাগ করে দেওয়া হলে সেই যানজট অনেকটাই নিয়ন্ত্রণের মধ্যে আনা যাবে বলে মনে করছে প্রশাসন। জানা গিয়েছে, এই শহরে দিনে নীল সাদা ও রাতে সবুজ সাদা রঙের টোটো চলাচল করবে। প্রতি এক মাস অন্তর এই নিয়মের পরিবর্তন করা হবে। অর্থাৎ যিনি এ মাসে রাতে টোটো চালাবেন পরের মাসে তিনি দিনে টোটো চালানোর সুযোগ পাবেন। ইতিমধ্যেই শহরের তিন হাজার ছশো টোটো রং করার কাজ শেষ হয়ে গিয়েছে। যেসব টোটো এখনও রং করা হয়নি সেই সব টোটো আর শহরে চলতে পারবে না বলে জানিয়ে দিয়েছেন প্রশাসন।
আরও পড়ুন : বেহাল পথে স্কুল যেতে নারাজ পড়ুয়ারা, রাস্তার দুরবস্থায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসীরা ধান পুঁতলেন সেখানেই
বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক খোকন দাস বলেন, " রুট ভাগের লটারি হয়ে যাবার পরই ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে নির্দিষ্ট রুটে টোটো চলাচলের নিয়ম কার্যকর হবে। ইতিমধ্যেই অধিকাংশ টোটো রেজিস্ট্রেশনের কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে। নথিগত সমস্যার কারণে কিছু টোটোর রেজিস্ট্রেশন স্থগিত রাখা হয়েছে।"
আরও পড়ুন : আদালতের নির্দেশে সালারের মালিহাটী কান্দরা মোড়ে ভাঙ্গা হল অবৈধ নির্মাণ
বর্ধমান শহরে এত দিন টোটো চলাচলে কোনও শৃঙ্খলা ছিল না। ফলে অভিযোগ, বেআইনি টোটোর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছিল। পঞ্চায়েত এলাকা থেকে প্রতিদিন শয়ে শয়ে টোটো বর্ধমান শহরে ঢুকছিল। সারাদিন বর্ধমান শহরে থাকার পর রাতে সেই সব টোটোগুলি এলাকায় ফিরে যেত। এবার থেকে আর পঞ্চায়েতের টোটো শহরে ঢুকতে পারবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে প্রশাসন।
