তবে তিলপাড়া নিয়ে চিন্তিত প্রশাসন।কারণ যান চলাচল খুব বেশি নিয়ন্ত্রণ করলে ১৪ নম্বর জাতীয় সড়কে তার প্রভাব পড়বে।তিলপাড়া সেতু দক্ষিণবঙ্গ ও উত্তরবঙ্গের যোগসূত্র।পাশাপাশি জলাধার খালি হলে এই মরশুমে চাষিদের জলসেচের কী হবে, সেই বিষয়টিও ভাবিয়ে তুলেছে।জেলা কৃষি কর্মাধ্যক্ষ সিরাজুল ইসলাম খান জানান, “তিলপাড়া জলাধার থেকে সাধারণত রবি মরশুমে জলসেচের জল দেওয়া হয় না। তবে আগামী ২৬ নভেম্বর কৃষির বৈঠক আছে সেখানে আলোচনা করে আগাম চাষিদের জানিয়ে দেওয়া হবে।”
advertisement
আরও পড়ুন-বিরাট দুঃসংবাদ! প্রয়াত জনপ্রিয় অভিনেতা, আচমকা ঢলে পড়লেন মৃত্যুর কোলে, শোকের ছায়া
৭৩ বছরের মিহিরলাল তিলপাড়া ব্যারাজ।জলাধারে ফাটল দেখা দিয়েছে।চলতি বছরে অতিবৃষ্টির জেরে জলের গতি আটকানোর জন্য যে পিলার করা হয়েছিল, সেগুলিতে ফাটল দেখা দিয়েছে। পিলারের তলার বালি সরে গিয়ে সেগুলি দুর্বল হয়ে পড়েছে।গত সপ্তাহে দিল্লি ও রাজ্য নদী ও বাঁধ বিশেষজ্ঞরা এসে জলাধারের তলায় গিয়ে ফাটল ও উলটে পরা পিলারগুলি পর্যবেক্ষণ করেন। বিশেষজ্ঞ দলে এস কে শর্মা, সমীর শুক্লা, বারিদ গুপ্তা, নীতা অরোরা ও ওয়াই কে হন্ডা এসে জলাধারের চারিদিক ঘুরে পর্যবেক্ষণ করেন।
দেশের প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় সিউড়ির কাছে ময়ূরাক্ষী নদীর উপর জলাধারের পরিকল্পনা করে কেন্দ্রীয় সেচ মন্ত্রক। ঝাড়খণ্ডের ম্যাসাজ্জোর ও ময়ূরাক্ষী নদীর অববাহিকা থেকে জল এসে তিলপাড়ায় ১৫টি গেটের মাধ্যমে সেই জলসেচের জন্য ধরে রাখার চিন্তা করে প্রশাসন।কিন্তু চলতি বছরে বালি সরে যাওয়ায় সেতুর দু’দিকের তিনটি করে গেটের তলায় ফাটল দেখা দিয়েছে।
সৌভিক রায়





