ঘটনার সূত্রপাত একটি হৃদয়স্পর্শী শ্রদ্ধার মাধ্যমে। সৌমজিৎ ভারতের প্রধানমন্ত্রীর প্রয়াত মায়ের উদ্দেশ্যে শ্রদ্ধাঞ্জলি হিসেবে হিরাবেন মোদির একটি প্রতিকৃতি আঁকেন। পরবর্তীতে তিনি তাঁর মামার হাত দিয়ে সেই ছবিটি পৌঁছে দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে। প্রধানমন্ত্রী যখন গত এক মাস আগে মোদি দুর্গাপুরে জনসভায় অংশ নিতে এসেছিলেন তখন ছবি তুলে দেওয়া হয়েছিল।
advertisement
সৌমজিতের প্রতিভা ও আবেগে আপ্লুত হয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদি দিল্লি থেকে সৌমজিতের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এরপর প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে সৌমজিতের বাড়ির ঠিকানায় একটি অভিনন্দন পত্র পাঠানো হয়। দেশের সর্বোচ্চ পদে থাকা ব্যক্তির কাছ থেকে এমন স্বীকৃতি পেয়ে সৌমজিতের পরিবার যেমন গর্বিত, তেমনি আবেগে ভেসেছে পুরো তাঁতীপাড়া।
নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে সৌমজিৎ বলেন, “আমি প্রধানমন্ত্রীর মায়ের স্মৃতির উদ্দেশ্যে ছবি এঁকেছিলাম। ভাবিনি যে উনি এতটা পছন্দ করবেন এবং ব্যক্তিগতভাবে আমাকে চিঠি পাঠাবেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে শুভেচ্ছা পাওয়া আমার জীবনের সবচেয়ে বড় সাফল্য। আমার পরিবারও খুব খুশি, গর্বিত। এই স্বীকৃতি আমাকে আরও অনুপ্রাণিত করেছে এবং আমি চাই আমাদের আশেপাশের আরও তরুণরা নিজেদের প্রতিভা বিকাশে উৎসাহিত হোক।”
প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা পেয়ে সৌমজিতের পরিবার, শিক্ষক এবং গ্রামের মানুষ আনন্দে আপ্লুত। সৌমজিতের এই সাফল্য তাঁতীপাড়া, রাজনগর তথা সমগ্র বীরভূমের নাম উজ্জ্বল করেছে।





