সেঁজুতি নাট্যগোষ্ঠীর কর্ণধার সুমনা চক্রবর্তী জানান, বিজয়িনী নাট্য সমারোহের মূল উদ্দেশ বর্তমান প্রজন্ম, বিশেষ করে মোবাইলমুখী তরুণ-তরুণীদের নাটকের প্রতি আগ্রহী করে তোলা। পাঁচ বছর ধরে নিরলসভাবে এই উৎসব আয়োজনের মধ্য দিয়ে নাট্যচর্চাকে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়াই তাঁদের লক্ষ্য। জানুয়ারি মাসের ৩ থেকে ৭ তারিখ টানা পাঁচ দিন ধরে চলবে এই নাট্যোৎসব।
advertisement
এ বছর এই সমারোহে বীরভূমের পাশাপাশি বর্ধমান, কলকাতা, নদীয়া, মুর্শিদাবাদ ও উত্তর ২৪ পরগনা-বিভিন্ন জেলা থেকে নাট্যদল অংশ নিয়েছে। নানা স্বাদের, নানা ভাবনার নাটক দর্শকদের সামনে তুলে ধরার প্রস্তুতি নিয়েছে আয়োজকরা। প্রতি বছরের মতো এ বছরও বিজয়িনী নাট্য সমারোহে দেওয়া হয়েছে জীবনকৃতি সম্মাননা। বীরভূমের প্রখ্যাত নাট্যব্যক্তিত্ব, কবি, নাট্যকার ও অভিনেতা-মঞ্চ, সিনেমা ও দূরদর্শনের সুপরিচিত মুখ অতনু বর্মনকে এ বছর জীবনকৃতি সম্মাননায় ভূষিত করা হয়েছে। ‘মিরাক্কেল টু চ্যাম্পিয়ন’ হিসেবে পরিচিত এই শিল্পীকে সম্মান জানিয়ে আবেগঘন মুহূর্তের সাক্ষী থাকেন উপস্থিত দর্শকরা।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
সুমনা চক্রবর্তীর কথায়, নাটক শুধু বিনোদন নয়, সমাজকে সচেতন করার এক শক্তিশালী মাধ্যম। রামকৃষ্ণদেবের বাণী উদ্ধৃত করে তিনি বলেন, “একমাত্র নাটকেই লোকশিক্ষা হয়।” সামাজিক, রাজনৈতিক কিংবা মানবিক সব ধরনের বার্তা নাটকের মাধ্যমে সহজ ও সাবলীলভাবে মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়াই এই নাট্যোৎসবের অন্যতম উদ্দেশ্য।





