আরও পড়ুন: ‘প্রাণ’ হত্যার অপরাধে গ্রেফতার গাছ! ১০০ বছরের কারাদণ্ড
বছর পর বছর পড়ে থেকে থেকে এই পাঠাগারের সব বই সহ। বিভিন্ন সামগ্রী নষ্ট হচ্ছে। কিন্তু বিষয়টিতে প্রশাসনের নজর নেই বলে দাবি স্থানীয়দের। মূলত এই পাঠাগারে কোনও কর্মী না থাকার জন্যই এই হাল বলে তাঁদের দাবি। গ্রামবাসীরা বলেন, পঞ্চায়েত এবং প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট দফতরের বলেও কোনও কাজের কাজ হয়নি।
advertisement
আরও খবর পড়তে ফলো করুন
https://whatsapp.com/channel/0029VaA776LIN9is56YiLj3F
স্থানীয় পাঠাগারের দায়িত্বে থাকা গ্রামের কিছু সহৃদয় ব্যক্তি জানান, ১৯৮০ সালে সরকার অনুমোদন দিয়েছিল এই পাঠাগারের। তখন বেশ ভাল পাঠক ছিল। এই পাঠাগারে স্থানীয় এলাকার বাসিন্দারা বই পড়তে এবং সময় কাটাতে আসতেন। কিন্তু ধীরে ধীরে তা এখন বন্ধের মুখে। পাঠাগার না চলার জন্য ধীরে ধীরে নষ্ট হচ্ছে সব জিনিসও। এখন গ্রামবাসীদের একটাই দাবি, কর্মী নিয়োগ করে গ্রামের মধ্যে পাঠাগারটি পুনরায় চালু করা হোক। পঞ্চায়েত সদস্য অভিযোগ স্বীকার করে নিয়ে বলেন, গ্রামের মানুষের স্বার্থে পাঠাগার করা হলেও তা এখন বন্ধ রয়েছে। কিন্তু গ্রামের মানুষ লিখিত কোন অভিযোগ জানায়নি।
শুভজিৎ ঘোষ





