শীতের নরম রোদ্দুর গায়ে মেখে ছাতনা ড্যাফোডিলস অ্যাকাডেমি চত্বর সাংস্কৃতিক উষ্ণতায় ভরে উঠেছিল। বাঁকুড়ার সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন মুক্তাঙ্গনের উদ্যোগে আয়োজিত এই পিকনিক-কাম-সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রকৃতির শান্ত পরিবেশের সঙ্গে মিশে যায় গান, কবিতা ও নাটকের আবেশ। কোলাহলমুক্ত চারপাশে শিল্প-সংস্কৃতির এই মিলনমেলা যেন শীতের আমেজকে আরও রঙিন করে তোলে।
আরও পড়ুনঃ বাঁকুড়া বইমেলায় বড় চমক! অবশেষে প্রকাশিত হল ‘শিল্পী ডট কম’, সাহিত্যপ্রেমীদের উৎসাহ ছিল দেখার মতো
advertisement
একটির পর একটি পরিবেশনা দর্শকদের মন ছুঁয়ে যায়। কবিতার গভীর উচ্চারণ, সুরেলা গানের মূর্ছনা এবং নাট্যশিল্পীদের প্রাণবন্ত উপস্থিতিতে গোটা অনুষ্ঠান জুড়ে তৈরি হয় এক মননশীল আবহ। মুক্তাঙ্গনের সভাপতি শ্রী মহাদেব জানান, এদিনের অনুষ্ঠানে জেলার বিশিষ্ট বাচিক শিল্পী, নাট্যব্যক্তিত্ব ও সংগীতশিল্পীদের উপস্থিতি অনুষ্ঠানকে আলাদা মাত্রা দিয়েছে।
সংগঠনের সম্পাদিকা মুকুল মুখার্জি বলেন, “এই ধরনের আয়োজন শিল্পীদের জন্য যেমন নিজস্ব ভাবনার প্রকাশের সুযোগ তৈরি করে, তেমনই দর্শকরাও হয়ে ওঠেন সেই সৃজন প্রক্রিয়ার অংশ।” সাংস্কৃতিক পর্বের শেষে ছিল সকলের জন্য আন্তরিক খাওয়াদাওয়ার আয়োজন, যা মিলনমেলার আনন্দকে এনে দেয় উষ্ণ ও মানবিক পরিসমাপ্তি।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এই স্মরণীয় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রখ্যাত বংশীবাদক গণেশ চট্টোপাধ্যায়, সংগীতশিল্পী তাপস মুখোপাধ্যায়, রাজপরিবারের প্রতিনিধি ও তবলিয়া প্রদীপ সিংহ দেও, লোকসংগীত শিল্পী রবি বাগদি, সংগীতশিল্পী চন্দন কর্মকার, তবলিয়া সমীরণ বন্দ্যোপাধ্যায় সহ আরও বহু বিশিষ্ট শিল্পী। প্রকৃতি, সংস্কৃতি ও মানুষের আন্তরিক মিলনে মুক্তাঙ্গনের এই উদ্যোগ ছাতনার বুকে রচনা করল এক অনন্য সাংস্কৃতিক স্মৃতি।





