বাঁকুড়ার সোনামুখী পৌরশহরের ঐতিহ্য পাগড়ি শিল্প। এই পাগড়ি তৈরি করা হয় রেশম সুতো দিয়ে। এই সুতো ব্যাঙ্গালোর ও মালদহ থেকে ব্যবসায়ীরা দিয়ে যান এখানকার শিল্পীদের বাড়িতে। সেই সুতো প্রস্তুত করে ১৫ দিন ধরে বানানো হয় পাগড়ির বান্ডিল এবং সেখান থেকেই ২২-২৪ পিস পাগড়ি তৈরি হয় এক রকমের তাঁত থেকে।
বেশ চলছিল এই শিল্প, রোজগার হচ্ছিল শিল্পীদের। কিন্তু আচমকাই ছন্দপতন। আর আগের মতো চাহিদা নেই এই পাগড়ি শিল্পের। এই পাগড়ি বাঁকুড়ার সোনামুখী থেকে পাড়ি দিত আফগানিস্তান-সহ বেশ কিছু আরব দেশে। কিন্তু যখন থেকে অস্থির হয়েছে আফগানিস্তান, তখন থেকে আর সেখানে পাগড়ি রফতানি হচ্ছে না।
advertisement
এই অবস্থায় মহাজনদের হাত ধরেই এই ব্যবসা করতে হয় শিল্পীদের। আগের মতো রোজগারও হয় না। তবে পুরনো এই শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে আজও কোনওক্রমে পাগড়ি বানিয়ে যাচ্ছেন সোনামুখীর শিল্পীরা।
অনিকেত বাউরি





