অনুব্রত মণ্ডলের বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টার মামলা করে রাজ্য পুলিশ। সরকারি আইনজীবী এদিন আদালতে জানায়, ৭ দিন পুলিশ হেফাজতে ছিলেন অনুব্রত। এর মধ্যে ৬ দিন অনুব্রত কোনও কথা বলেননি। সপ্তম দিনে তিনি কিছু বলেছিলেন। তাই এই মামলার আরও বেশ কিছু তথ্য উঠে এসেছে। ফলে অনুব্রতকে আরও কিছু সময়ের জন্য হেফাজতের প্রয়োজন। তাই এখনই জামিন দেওয়া উচিত নয়। তবে সব পক্ষের কথা শুনে এদিন আদালত অনুব্রতকে জামিন দেয়।
advertisement
শিব ঠাকুর মামলায় অনুব্রতর তরফে জামিনের আবেদন করা হয়। তার বিরোধিতা করে সরকারি আইনজীবী। আইনজীবী জানান, এখনও পর্যন্ত বেশ কিছু তথ্য উঠে এসেছে। এরপরেই জামিন চেয়ে আবেদন করেন অনুব্রতর আইনজীবী। রেকর্ড দেখে বিচার করুন বলেও আবেদন করেন তিনি। এরপরে সরকারি আইনজীবী বলেন, 'খুনের চেষ্টার মত একটা ঘটনা তাই আরও তথ্য দরকার। বিরোধিতা করছি জামিনের। এই মামলার শুনানিতে তদন্তকারী অফিসার জানান, 'বেশ কিছু তথ্য পেয়েছি তবে নিরাপত্তা রক্ষী কে ছিল জানতে হবে।
এদিন আদালত কক্ষ ছেড়ে বেরিয়ে আসার সময় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন অনুব্রত মণ্ডল। তাঁকে প্রশ্ন করা হয়, 'জামিন পেলেন কেমন লাগছে?' উত্তরে অনুব্রত স্পষ্ট জানান, 'ভালো লাগছে'।
প্রসঙ্গত, অনুব্রত মণ্ডলকে দিল্লি নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। কিন্তু সে দিনই কেষ্টর বিরুদ্ধে পুরনো মামলা করেন শিবঠাকুর মণ্ডল। তাঁর অভিযোগ, ২০১৯ সালে অনুব্রত মণ্ডল গলা টিপে হত্যার চেষ্টা করেছিলেন তাঁকে। সেই মামলাতেই আদালতের নির্দেশে ৭ দিনের পুলিশ হেফাজতে যায় অনুব্রত। ফলে তখনকার মতো দিল্লি যাওয়া আর হয়নি কেষ্টর। সাতদিনের পুলিশ হেফাজতের মেয়াদ শেষে এদিন ফের আদালতে তোলা হয়। তখনই জামিন পান অনুব্রত মণ্ডল।
সুশোভন ভট্টাচার্য
