গত ২৭ থেকে ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত ঝাড়খণ্ডের রাঁচি শহরে অনুষ্ঠিত হয় ৫০ তম সাব জুনিয়র যোগা স্পোর্টস চ্যাম্পিয়নশিপ। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা প্রতিযোগীদের সঙ্গে কঠিন লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে পারমিতা এই সাফল্য অর্জন করে। সে শান্তিপুরের রাধারাণীর নারী শিক্ষা মন্দিরের একাদশ শ্রেণির কলা বিভাগের ছাত্রী।
advertisement
মাত্র সাত বছর বয়স থেকেই যোগা প্রশিক্ষণ শুরু। শরীরচর্চার উদ্দেশে এই পথচলা শুরু হয়েছিল। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে যোগাসনই হয়ে ওঠে তাঁর ভালবাসা ও লক্ষ্য। শান্তিপুরের প্রশিক্ষক উজ্জ্বল মন্ডলের কাছে নিয়মিত প্রশিক্ষণ নিয়েছে পারমিতা। ফুলিয়ার শিবানন্দ ফিজিক্যাল ইনস্টিটিউশনের হয়ে সে জাতীয় মঞ্চে প্রতিনিধিত্ব করে।
পারমিতার বাবা পরিমল সাহা পেশায় ব্যবসায়ী এবং মা রিতা সাহা একজন গৃহবধূ। পরিবারের পূর্ণ সহযোগিতাই তাঁর সাফল্যের মূল ভিত্তি। এর আগেও স্কুল স্তরের পাশাপাশি জেলা ও রাজ্যস্তরের একাধিক যোগাসন প্রতিযোগিতায় সে পুরস্কৃত হয়েছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে হিমাচল প্রদেশের উনায় আয়োজিত জাতীয় স্তরের যোগাসন প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করেছিল সে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
নিজের সাফল্য সম্পর্কে পারমিতা জানায়, “খুব ছোটবেলা থেকে যোগাসন করি। পড়াশোনার ফাঁকে রোজ অনুশীলন চালিয়ে যাই। এই পুরস্কার পেয়ে খুব ভাল লাগছে।” গত বছর জাতীয় স্তরে প্রথম হওয়ার পর এশীয় স্তরের প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পেলেও মাধ্যমিক পরীক্ষার কারণে সেখানে অংশ নিতে পারেনি সে। তবে এবার এশীয় স্তরের প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে দেশের হয়ে আরও বড় সাফল্য আনতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ পারমিতা।





