প্রথমদিকে এই পুজো ছিল সম্পূর্ণ পারিবারিক। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় মানুষের অংশগ্রহণে তা এখন সার্বজনীন রূপ নিয়েছে। বড়শ্যামা মাতা পূজার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হল এখানে জনসাধারণের কাছ থেকে কোনও চাঁদা নেওয়া হয় না। “দি ট্রাস্টিস অব বড়শ্যামা মাতা” নামক একটি ট্রাস্টি ফান্ড থেকেই প্রতি বছর পুজোর সমস্ত আয়োজন সম্পন্ন হয়।
advertisement
আরও পড়ুন: দার্জিলিংয়ে দুর্গাপুজোয় আলাদা মাত্রা এনে দিলেন ‘ওঁরা’! ‘আগে কখনও দেখেনি’ বলছেন সবাই
নদিয়ার নবদ্বীপের তেঘরী পাড়ার ঐতিহ্যবাহী বড়শ্যামা মাতা মন্দিরটি বর্তমান রূপে গড়ে ওঠে ১৯৮৪ সালে প্রায় ৮০,০০০ টাকা ব্যয়ে। ২৯ ফুট উচ্চতার এই দেবীমূর্তি বিশেষভাবে রাস পূর্ণিমার দিনেই প্রতিষ্ঠা ও পূজিত হন। সারা বছর ঘটে মাতার পুজো হলেও মূল প্রতিমা নির্মাণ করে পূজা সম্পন্ন হয় কেবল রাস পূর্ণিমাতেই। ভৃগুরাম সদ্ধান্ত মহারাজের তিন পুত্র—গদাধর, কৃষ্ণরাম ও রামগোপালের বংশধরেরাই আজও এই পূজার পুরোহিত। নিয়ম অনুযায়ী, বাইরের কোনো পুরোহিত এখানে পূজা করতে পারেন না। নবদ্বীপে বড়শ্যামা মাতার পাশাপাশি মেজো, সেজো ও ছোট শ্যামা মাতারও পুজো অনুষ্ঠিত হয়।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
শতাব্দীপ্রাচীন এই পুজোকে ঘিরে নবদ্বীপে প্রতিবছর ভক্তদের ঢল নামে। রাস পূর্ণিমার এই পুণ্যক্ষণে ভক্তরা বিশ্বাস করেন, বড়শ্যামা মাতার আশীর্বাদে জীবনের সকল অন্ধকার দূর হয়ে আসে। এবছরও সেই ঐতিহ্যের ধারায় ভক্তিমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হচ্ছে নবদ্বীপের বড়শ্যামা মাতা পুজো।





