ধনিয়াখালি থানার পুলিশ তাকে উদ্ধার করে ২২ তারিখ চুঁচুড়া হাসপাতালে ভর্তি করে। হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলতে থাকে। গত ৮ মার্চ যুবতীকে আইসোলেশান ওয়ার্ডে শিফট করে দেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত একজন নার্স হুগলি ব্রাঞ্চ স্কুলের শিক্ষিকা শুভ্রা ভট্টাচার্যকে যুবতীর বিষয়ে জানান। শিক্ষিকা একটি সমাজসেবী সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত। যে সংগঠন নানা ধরনের সমাজসেবামূলক কাজ করে থাকে। তিনি হ্যাম রেডিওর সাহায্যে যোগাযোগ করেন তার পরিবারের সঙ্গে। অবশেষে পরিবারের লোকজন তিন মাস পরে খুঁজে পায় তার মেয়েকে।
advertisement
আরও পড়ুন: বজ্রপাত থেকে কৃষকদের বাঁচাতে যা করে চলেছেন এই শিক্ষক…, জানলে ‘থ’ হবেন
শুভ্রা ভট্টাচার্য বলেন, “কিছুদিন পর যুবতীর সঙ্গে কথা বলে জানতে পারি তার মানসিক সমস্যা আছে। নানা ভাবে চেষ্টা করে তার বাড়ির বিষয়ে কিছুই জানতে পারিনি। সাইকিয়াট্রিস্ট চিকিৎসক দেখিয়ে হাসপাতাল থেকে ওষুধ নিয়ে নিয়ম করে খাওয়ানো হয় এক মাস ধরে। ওষুধ খেয়ে যুবতী সুস্থ হতে শুরু করে। কয়েকদিন আগে সে নাম ঠিকানা সব বলে। বাড়ি যেতে চায় না সেটাও বলে। হোমে রাখার কথা বললে সেখানেও যেতে চায়না।”
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
তিনি পরের ঘটনা সম্পর্কে জানান, “এরপর হ্যাম রেডিওর অম্বরিশ নাগের সঙ্গে যোগাযোগ করি। উনি কয়েক ঘন্টার মধ্যে বাড়ির লোকের সাথে যোগাযোগ করে যুবতীর দাদার ফোন নম্বর দেন। গত কাল রাত নয়টায় বাড়ির লোকের সঙ্গে কথা হয়।দাদা তাপস চক্রবর্তী একমাত্র বোনের জন্য উদগ্রীব ছিলেন। কাগজে বিজ্ঞাপন দিয়ে, অনেক থানা পুলিশ করেও কিছুতেই সন্ধান পাননি। আজ তিন মাস পর বোনকে ফিরিয়ে নিতে চুঁচুড়ায় আসেন যুবতীর দাদা। বোনও দাদাকে দেখে জরিয়ে ধরে হাউ হাউ করে কেঁদে ফেলেন। হাসপাতালে এতদিন যারা তাকে দেখাশোনা করেছেন তাদেরও চোখ ছলছল করে ওঠে।”
রাহী হালদার





