এক ধর্মপ্রাণা বাইজি মন মোহিনী বৈষ্ণবী তথা মনি বাই ছিলেন এই রথের প্রতিষ্ঠাতা। এছাড়াও তিনি পুরুলিয়া শহরের চকবাজারে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন রাধাগোবিন্দ জিউর মন্দির। ১৯২২ সাল নন্দলাল দত্ত কয়েল পরিবার বংশপরম্পরায় এই মন্দির ও রথের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বভার পালন করে আসছেন।
আরও পড়ুন ঃ দক্ষিণবঙ্গে বেশিরভাগ জেলায় বৃষ্টি, বঞ্চিত এই জেলা, গরমে নাজেহাল সকলে
advertisement
রথ যাত্রার দিন বহু মানুষের সমাগম হয় চকবাজার এলাকায়। আলো ও পুষ্প শয্যার মধ্যে দিয়ে সাজিয়ে তোলা হয় সমগ্র রথটিকে। রাধাগোবিন্দ জিওর মূর্তিকে চকবাজার এলাকা পরিক্রমা করিয়ে রথে চাপানো হয় তারপর সেই রাত পুরুলিয়ার নামাপাড়া অব্দি যায়।
রথ টানার জন্য বর্তমানে ট্রাক্টরের ব্যবহার করা হয়। তাছাড়াও বহুভক্ত এইদিন রথের দড়ি টানেন। এই রথযাত্রার উৎসবকে ঘিরে এক প্রকার মেলার মত আয়োজন হয় গোটা চকবাজার এলাকায়। এ বিষয়ে দত্ত পরিবারের বর্তমান উত্তরসূরী সচি দুলাল দত্ত বলেন , নিয়ম অনুসারে সকাল থেকেই ভোগ নিবেদন করা হয়েছে রাধাগোবিন্দ জিওকে। বহুভক্তের সমাগম হয় মন্দিরে।
কিন্তু অন্যান্য বছরে তুলনায় এ বছর ভিড় কিছুটা কম রয়েছে। রথযাত্রায় আসা ভক্তরা বলেন, প্রতিবছরই তারা এই রথযাত্রায় শামিল হন। পুরুলিয়ার ঐতিহ্য এই দত্ত বাড়ির রথ। তাই তারা প্রতিবছরই ছুটে আসেন এই উৎসবের আনন্দে মেতে উঠতে।
বহু দূর দুরান্ত থেকে ভক্তরা ছুটে আসেন এই রথযাত্রা উৎসবে অংশগ্রহণ করতে। পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে করা নজরদারীর ব্যবস্থা করা হয় সমস্ত অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে। পুরুলিয়ার মানুষদের কাছে ঐতিহ্য মনি বাইয়ের দেওয়া এই রথ।
শমিষ্ঠা ব্যানার্জি





