অনেকেই হয়তো ভেবে থাকেন যে ফ্লাইটের বর্জ্য হয়তো বাতাসেই নিক্ষেপ করা হয়। তবে এই ধারনা একেবারেই ভুল। বিমানের টয়লেটের কার্যকারিতা বাড়ি, মল, অফিস বা অন্যান্য জায়গার টয়লেটগুলির থেকে একেবারেই আলাদা। সাধারণ টয়লেটে, যখন ফ্লাশ চালানো হয়, সিফনিং অ্যাকশন পাইপের মাধ্যমে নর্দমায় জল এবং বর্জ্য অপসারিত হয়। কিন্তু বিমানের টয়লেটগুলি বর্জ্য অপসারণের জন্য জলের পরিবর্তে শক্তিশালী ভ্যাকুয়াম সিস্টেমের মাধ্যমে হয়।
advertisement
আরও পড়ুন: অবিশ্বাস্য! দিনে ১০ প্যাকেট মাটি খান এই মহিলা, খবর জানাজানি হতেই শোরগোল
এর কারণে, একটি বিমানের ফ্লাশ বাড়ির ফ্লাশের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী হয়। এখন প্রশ্ন উঠছে বিমানের টয়লেটের বর্জ্য ভ্যাকুয়াম সিস্টেমে শোষিত হওয়ার পর কোথায় যায়? অনেকেই মনে করেন যে এই বর্জ্য নদী বা সমূদ্রের উপর দিয়ে বিমান যাওয়ার সময় জলে ফেলা হয়। তবে এই তথ্য সম্পূর্ণ ভুল।
এই বর্জ্য ফ্লাইট না থামা পর্যন্ত বিশেষ ট্যাঙ্কে সংরক্ষণ করা হয়। এই ট্যাঙ্কে বর্জ্য স্যানিটাইজিং তরলের সঙ্গে মিশে যায় এবং ‘নীল বরফে’ পরিণত হয়।
যাত্রী প্রতি ফ্লাশে গড়ে ০.৫৫ গ্যালন বর্জ্য জমা হয়। দীর্ঘ ফ্লাইটের সময় প্রচুর পরিমাণে বর্জ্য জমা হয়ে যায়। উড়ো জাহাজ অবতরণের পর প্লেন থেকে বর্জ্য অপসারণ করা হয়। বিমানে জমে থাকা বর্জ্য বিশেষ মেশিনের দ্বারা বের করে বর্জ্যের গাড়িতে ফেলা হয়। এইভাবেই পরিষ্কার করা হয় বিমানে থাকা বর্জ্য।
