দুই সহপাঠীর এই পুনর্মিলনের ঘটনা সমাজমাধ্যমে রীতিমতো ভাইরাল হয়েছে৷ ভারত মাতা কে সেবক নামে এক্স হ্যান্ডেলের একটি অ্যাকাউন্ট-এ ঘটনাটি শেয়ার করা হয়েছে৷
জানা গিয়েছে, ওই র্যাপিডো বাইকটি বুক করেছিলেন উমর নামে একজন যাত্রী৷ বুকিং কনফার্ম হওয়ার পর অ্যাপে উমর দেখেন, চন্দন নামে একজন বাইক চালক তাঁকে পিক আপ করতে আসছেন৷ প্রথমে বিষয়টি খেয়াল না করলেও হঠাৎই উমরের মনে হয়, এই চন্দনই একসময় স্কুলে তাঁর সহপাঠী ছিল৷ যে ক্লাসে সব সময় পরীক্ষায় প্রথম হত৷
advertisement
চন্দন এসে পৌঁছনো মাত্রই প্রথমে উমরের থেকে ওটিপি চান৷ পরমুহূর্তেই অবশ্য চন্দনও উমরেক চিনতে পারেন৷ যাত্রা শুরু করার পর উমর চন্দনের থেকে জানতে চান, সে কতদিনে র্যাপিডোয় বাইক চালাচ্ছে? পড়াশোনায় এত মেধাবী হওয়ার পরেও কেনই বা সে এই পেশা বেছে নিল?
চন্দন জানান, জীবন সবসময় পরিকল্পনা অনুযায়ী চলে না৷ তবে র্যাপিডো চালিয়েও তিনি ভালই আছেন বলেও জানান চন্দন৷ মজা করে চন্দন আরও বলেন, স্কুলের বন্ধুর থেকে সে ভাড়া নেবে না৷
তবুও চন্দনকে নিয়ে উমরের বিস্ময় কাটছিল না৷ চন্দনও অবশ্য শেষ পর্যন্ত জানায়, তাঁকে যে র্যাপিডোয় বাইক চালিয়ে উপার্জন করতে হবে, সে নিজেও কোনওদিন ভাবেনি৷ শুধু তাই নয়, নিজের সহপাঠীই তার বাইক বুক করবে, এটাও কল্পনা করতে পারেনি চন্দন৷
দুই সহপাঠীর অপ্রত্যাশিত এই পুনর্মিলনের ঘটনা দ্রুত সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়৷ এই ঘটনা দেখে অনেকেই কমেন্টে লিখেছেন, সত্যিটা মেনে নেওয়া কঠিন হলেও এটাই বাস্তব৷ আবার অনেকে বলেছেন, সাফল্য বিষয়টি আপেক্ষিক৷ সৎ পথে থেকে উপার্জন করাটাই সত্যিকারের সম্মানের৷
এক্স হ্যান্ডেলে আবার অনেকে নিজেদের জীবনের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিয়ে লিখেছেন, তাঁদেরও অনেক সহপাঠীই পড়াশোনায় ভাল হওয়া সত্ত্বেও আর্থিক সমস্যা, পারিবারিক চাপ অথবা সুযোগের অভাবে অপ্রত্যাশিত কোনও পেশায় চলে যেতে বাধ্য হয়েছেন৷
