বিয়েবাড়ির আনন্দকে আরও একটুঁ রঙিন করতে অনেকেই মদ্যপান করেন। বরযাত্রী বা কনেযাত্রী যাওয়ার আগে ঢুকুঢুকু চড়িয়ে নেন দু’পাত্তর। কখনও কখনও তা মাত্রা ছাড়িয়ে যায়। নিজের উপরেই আর নিয়ন্ত্রন থাকে না। শুরু হয় মাতলামি।
আরও পড়ুন- তাসে চার রাজার মধ্যে হার্টসের রাজার গোঁফ নেই কেন? আসল কারণ জানলে অবাক হয়ে যাবেন
advertisement
মদের নেশায় বিয়ে বাড়ির সব কিছু হয়ত রঙিন লাগে। আনন্দ হয়ত দ্বিগুণ হয়ে যায়। কিন্তু মুশকিলে পড়েন আশপাশের মানুষ। তাঁদের আনন্দে ততক্ষণে মদের চোনা পড়ে গিয়েছে। নতুন বর বা কনে দেখবেন না কি মাতালকে সামলাবেন, বুঝে ওঠা দায়।
মদ খেয়ে মাতলামি করলেও, তিনি আত্মীয়। হয়ত ঘনিষ্ঠ আত্মীয়। বুক ফাটলেও মুখ ফুটে কিছু বলাও যায় না। মনের ভিতরে শুধু রাগ চড়তে থাকে। এমন পরিস্থিতিতে যাতে পড়তে না হয়, তার জন্যই বিয়ের কার্ডে আত্মীয়স্বজনকে আগাম সতর্কবার্তা দিলেন এক বর। সোজা লিখে দিয়েছেন, মদ খেয়ে আমার বিয়েতে আসবেন না।
আরও পড়ুন- ‘বিষয়টা আজই শেষ...’ অভিষেকের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে কী বলেছিলেন ঐশ্বর্য? ভাইরাল পুরনো ভিডিও
কার্ডটি পুরনো। কিন্তু নতুন করে ফের ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। আসলে সেপ্টেম্বর, অক্টোবরে সাধারণত শুভ লগ্ন থাকে না। ফলে এই দু’মাস বিয়ে খুব একটা হয় না। নভেম্বরে ছট পুজো কাটলে ফের লগ্ন শুরু হবে। বেজে উঠবে বিয়ের সানাই। ইতিমধ্যেই অনেকে কার্ড দিয়ে নিমন্ত্রণও শুরু করে দিয়েছেন। তাই বোধহয় নতুন করে মদ খেয়ে বিয়েতে না আসার জন্য বরের দেওয়া চেতাবনির কথা মনে পড়েছে নেটিজেনদের।
একটা সময় বিয়ের কার্ডে নতুনত্ব আনতে বাড়ির সবচেয়ে খুদে সদস্যের বয়ানে কার্ড ছাপানো হত। আধো আধো বুলিতে লেখা থাকত নিমন্ত্রণের বয়ান। কিংবা মূল বয়ানের শেষে জুড়ে দেওয়া “মামার বিয়েতে আততেই হবে কিন্তু।”
এখন এই ফ্যাশন পুরনো হয়ে গিয়েছে। ইদানীং সামাজিক বার্তার চল হয়েছে। তার মধ্যেই এই কার্ড ভাইরাল হয়েছে নতুন করে। অনেকেই বরের এই চেতাবনি দেখে মিটিমিটি হাসছেন। বলছেন, যে খাবার সে ঠিকই খাবে, এভাবে আটকানো যাবে না। আবার অনেকে প্রশংসাও করছেন। তাঁদের বক্তব্য, অনুষ্ঠান বাড়িতে মদ খাওয়া কোনও কাজের কথা নয়। সোজা কথাটা সোজা ভাবে বলার জন্য ধন্যবাদ। এক ইউজার লিখেছেন, বিয়েতে কেউ মদ খেয়ে এলে অন্য অতিথিদের মজা মাটি হয়। এর চেয়ে ভালই হয়েছে আসতে বারণ করে দিয়েছেন।
