TRENDING:

‘নিজের গাড়ি কিনুন!’ হুইলচেয়ার-সহ যাত্রী তুলতে অস্বীকার, র‍্যাপিডো চালককে ঘিরে বিতর্ক

Last Updated:

এক প্রতিবন্ধী তরুণীকে হুইলচেয়ার-সহ গাড়িতে তুলতে অস্বীকার করার অভিযোগে র‍্যাপিডো চালককে ঘিরে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিও নতুন করে সামনে এনেছে, রাইড-হেলিং পরিষেবায় প্রতিবন্ধীদের প্রতি বৈষম্যের প্রশ্ন।

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
advertisement
এক তরুণীর পোস্ট করা ভিডিও ঘিরে সোশ্যাল মিডিয়ায় তুমুল প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অভিযোগ, র‍্যাপিডোর এক চালক তাঁর হুইলচেয়ার গাড়িতে তুলতে অস্বীকার করেন, যদিও পর্যাপ্ত জায়গা ছিল। তরুণীর দাবি, জায়গার অভাব নয়, বরং তাঁর প্রতিবন্ধকতাই চালকের অস্বস্তির কারণ ছিল।
News18
News18
advertisement

ভিডিওর ক্যাপশনে তরুণী লেখেন, “এটা কোনও অসুবিধা নয়, এটা স্পষ্ট বৈষম্য। আজ একজন র‍্যাপিডো চালক আমার হুইলচেয়ার নিতে অস্বীকার করেছেন। জায়গা ছিল, কিন্তু আমার প্রতিবন্ধকতা তাঁকে অস্বস্তিতে ফেলেছে। তিনি শুনতেও চাননি, চেষ্টা করতেও চাননি। আমার হুইলচেয়ার কোনও বিকল্প নয়, আমার চলাফেরার অধিকারও আলোচনা সাপেক্ষ নয়। যদি আপনার পরিষেবা ‘সবার জন্য’ হয়, তবে তা সত্যিই সবার জন্য হতে হবে।”

advertisement

‘কলকাতায় হামলা করব’! ভারতকে কড়া হুঁশিয়ারি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর, কী শর্ত দিলেন তিনি?

মহাকুম্ভ থেকে ছাদনাতলায়! ‘আইআইটি বাবা’ অভয় সিংহের প্রেমের পরিণতি, কে হলেন তাঁর জীবনসঙ্গিনী?

তিনি আরও বলেন, সব ক্যাব চালকদের জন্য প্রতিবন্ধিতা সম্পর্কে সচেতনতা জরুরি, পাশাপাশি মানুষের ন্যূনতম মানবিকতা থাকা প্রয়োজন। তিনি র‍্যাপিডো কর্তৃপক্ষকে ট্যাগ করে এই ঘটনার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার আবেদন জানান।

advertisement

ভিডিওটি দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়। বহু নেটিজেন চালকের আচরণের তীব্র সমালোচনা করেন এবং তরুণীর পাশে দাঁড়ান। অনেকেই মন্তব্য করেন, এই ঘটনা সমাজে প্রতিবন্ধীদের প্রতি সংবেদনশীলতার অভাবেরই প্রতিফলন।

একজন ফিজিওথেরাপিস্ট মন্তব্য করেন, “হুইলচেয়ার কোনও সীমাবদ্ধতা নয়, বরং স্বাধীনতার মাধ্যম। পরিবহণের মতো মৌলিক পরিষেবা থেকে কাউকে বঞ্চিত করা মানে তাঁর মর্যাদা ও জীবনের মানে আঘাত করা।”

advertisement

আবার এক ক্যাব চালক লেখেন, “আমি নিজেও ওলা, র‍্যাপিডো, উবারে গাড়ি চালাই। যাঁরা হাঁটতে পারেন না বা হুইলচেয়ার ব্যবহার করেন, তাঁদের আমি অগ্রাধিকার দিই। দরজা খুলে সাহায্য করি, নিরাপদে ওঠানামা করাই। সব চালকদের আরও দায়িত্বশীল হওয়া উচিত।”

তবে কিছু মন্তব্যে ভিন্ন সুরও শোনা যায়। কেউ কেউ দাবি করেন, চালকের ব্যক্তিগত স্বাচ্ছন্দ্যের ভিত্তিতে যাত্রী নিতে অস্বীকার করার অধিকার থাকা উচিত। এক ব্যবহারকারী লেখেন, “ওর ইচ্ছা, সে আপনার দাস নয়। কেউ ‘না’ বললে কি তাকে সোশ্যাল মিডিয়ায় দোষারোপ করবেন?” আরেকজন মন্তব্য করেন, “নিজের গাড়ি কিনুন।”

advertisement

এই ধরনের মন্তব্য ঘিরেও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অনেকের মতে, এই প্রতিক্রিয়াগুলি সমাজে গেঁথে থাকা পক্ষপাতদুষ্ট মনোভাবেরই প্রতিফলন।

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
মনোনয়নের দিনই জয়ের উল্লাস! পাঁচ-ছয় হাজার মানুষের সমাগম, সুজয়ই জিতছেন?
আরও দেখুন

ঘটনার প্রেক্ষিতে র‍্যাপিডো সংস্থা ক্ষমা চেয়ে জানায়, এই আচরণ তাদের পরিষেবা নীতির পরিপন্থী। তারা বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করবে বলে জানিয়েছে। এই ঘটনা আবারও প্রশ্ন তুলেছে—প্রযুক্তি যতই এগোক, সমাজ কি সত্যিই সমান সুযোগ দিতে প্রস্তুত?

বাংলা খবর/ খবর/পাঁচমিশালি/
‘নিজের গাড়ি কিনুন!’ হুইলচেয়ার-সহ যাত্রী তুলতে অস্বীকার, র‍্যাপিডো চালককে ঘিরে বিতর্ক
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল