বয়স মাত্র দু বছর ছ’মাস হলেও এ বয়সে জেলা থেকে শুরু করে রাজ্য,বন্যপ্রাণীর নাম, দশটি গৃহপালিত পশুর নাম, পঞ্চাশটি ফল, তিরিশটি ফুল, চব্বিশটি শাকসবজি, ষাটটি পাখি, পঁচিশটি যানবাহনের নাম-সহ শরীরের নানান অঙ্গ প্রত্যঙ্গের নাম। বীরভূমের তারাপীঠ থানার হাবাতকুরা গ্রামের সায়নী মালের প্রতিভা জানলে অবাক হতে হয়।
advertisement
বাবা পেশায় রাজমিস্ত্রি। বর্তমানে প্রায় চারবছর থেকে বাবা রঞ্জিত মাল সংসারের হাল ধরতে মুম্বইতে রাজমিস্ত্রির কাজ করতে যান। ছোট থেকেই নানান বইতে ফল দেখে উৎসাহ বাড়ে জিনিসগুলো সম্পর্কে জানার। সেইমত তার মা ভদ্রা মাল তাকে পড়াতে থাকেন। জানার ইচ্ছে দেখে ফুল, ফলের নাম অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের নাম এমনকি ইংরেজি কবিতাও তাকে শেখান। মাত্র দু তিন মাসের শিক্ষায় ছোট্ট এই মেয়ে সবকিছু গড়গড়িয়ে বলে দিতে পারেন।
বাবা রঞ্জিত মালের ইচ্ছে তার যতই কষ্ট হোক উপার্জন করে তার মেয়েকে উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত করবেন। মেয়ের আগামী দিনে বড় হয়ে যা নিয়ে পড়ার ইচ্ছে সেই সমস্ত আবদার পূরণ করবে বাবা। ছোট্ট খুদে এই সায়নীর কৃতিত্বে মুগ্ধ সকলে, খুশি পরিবারের লোকজন থেকে পাড়া-প্রতিবেশীরা।
সৌভিক রায়





