প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফক্স নিউজ জানিয়েছে যে, বিমানটি Airbus A350-1000 মডেলের ছিল এবং উড্ডয়নের প্রায় এক ঘণ্টা পর ওই মহিলার মৃত্যু হয়। এরপর দীর্ঘ ১৩.৫ ঘণ্টার যাত্রাপথে তাঁর দেহটি বিমানের পেছনের গ্যালিতে রাখা হয়, যেখানে মেঝে উষ্ণ ছিল বলে জানা গেছে।
advertisement
ঘটনাটি নিয়ে যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ালেও বিমানটি নির্ধারিত সময়েই লন্ডনে অবতরণ করে। এই ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। মহিলার মৃত্যুর পরেও বিমানের পাইলটরা যাত্রা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন এবং মাঝপথে ফিরে যাওয়া বা অন্যত্র অবতরণের পরিবর্তে হিথরো এয়ারপোর্টের দিকেই উড়ান অব্যাহত রাখেন। সাধারণত যাত্রী মৃত্যুকে চিকিৎসাজনিত জরুরি পরিস্থিতি হিসেবে গণ্য করা হয় না বলেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা যায়।
আরও পড়ুন: দেওয়াল লিখনকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত ভাঙড়, আইএসএফ-তৃণমূল তুমুল অশান্তি! আহত একাধিক
প্রথমদিকে কেবিন ক্রুরা মৃতদেহটি বিমানের ল্যাভাটরিতে রাখার কথা ভাবলেও শেষ পর্যন্ত সেই পরিকল্পনা বাতিল করা হয়। পরে দেহটি কাপড়ে মুড়ে বিমানের পেছনের গ্যালিতে স্থানান্তর করা হয়।
একটি সূত্র জানিয়েছে, “স্বাভাবিকভাবেই ওই মহিলার পরিবারের সদস্যরা ভেঙে পড়েছিলেন, ক্রু সদস্যরাও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন। অনেকেই Hong Kong-এ ফিরে যাওয়ার পক্ষেই ছিলেন। কিন্তু স্পষ্টভাবে বলতে গেলে, যদি কোনও যাত্রীর মৃত্যু ইতিমধ্যেই হয়ে যায়, সেটিকে সাধারণত জরুরি পরিস্থিতি হিসেবে দেখা হয় না।” তবে অভিযোগ, ক্রু সদস্যরা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় খেয়াল করেননি– যেখানে দেহটি রাখা হয়েছিল সেই গ্যালির মেঝে ছিল উষ্ণ। এই তাপের কারণে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তীব্র দুর্গন্ধ তৈরি হয় এবং তা বিমানের পেছনের কেবিন জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে বলে জানা গিয়েছে।
