এই বিশেষ হেলমেটগুলিতে রয়েছে একটি ইনবিল্ট কুলিং সিস্টেম, যা ছোট মোটর ও রিচার্জেবল ব্যাটারির সাহায্যে কাজ করে। একবার চার্জ দিলে প্রায় ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা পর্যন্ত ঠান্ডা বাতাস সরবরাহ করতে সক্ষম। ফলে পুরো শিফট জুড়ে স্বস্তিতে কাজ করতে পারছেন ট্রাফিক পুলিশ কর্মীরা।
advertisement
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এতদিন প্রচণ্ড গরমে ডিউটির সময় হিট এক্সহস্টন, ডিহাইড্রেশন এবং ক্লান্তির সমস্যা ছিল নিত্যদিনের। তবে এই নতুন উদ্যোগে সেই সমস্যার অনেকটাই সমাধান হয়েছে। পরীক্ষামূলকভাবে ব্যবহার করার পর ইতিমধ্যেই ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া পেয়েছে পুলিশ বিভাগ।
এই হেলমেটের মধ্যে থাকা ছোট ফ্যান ঠান্ডা বাতাস চলাচল করায় এবং সামনে থাকা ভিসর সূর্যের তাপ, ধুলো ও দূষণ থেকেও সুরক্ষা দেয়। ফলে কাজের সময় মনোযোগ বাড়ছে বলেও জানিয়েছেন কর্মীরা।
প্রশাসনের দাবি, এটি শুধুমাত্র আরামের জন্য নয়, বরং পুলিশের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও কাজের দক্ষতা বাড়ানোর দিকেও বড় পদক্ষেপ। ইতিমধ্যেই অন্যান্য শহরে সফল পরীক্ষার পর উত্তরপ্রদেশের বিভিন্ন জেলায় এই প্রযুক্তি চালুর পরিকল্পনাও করা হচ্ছে।
