TRENDING:

২ হাজার বছরের পুরনো মমির সিটি স্ক্যান! ধরা পড়ল কোন চাঞ্চল্যকর তথ্য? জানলে আপনিও সাবধান হবেন!

Last Updated:

নেস-মিন ও নেস-হোরের মমির সিটি স্ক্যানে আধুনিক মানুষের মতোই কিছু গুরুতর সমস্যা ধরা পড়েছে। কী সেগুলো? ইউনিভার্সিটি অব সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়ার গবেষকরা পেলেন নতুন তথ্য!

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
advertisement
দুই হাজার বছরের প্রাচীন মমির সিটি স্ক্যান করে চমকে উঠলেন বিজ্ঞানীরা। প্রাচীন মিশরের এই সংরক্ষিত দেহগুলিতে এমন কিছু স্বাস্থ্য সমস্যার সন্ধান মিলেছে, যা আধুনিক মানুষের সঙ্গেও আশ্চর্য রকম মিল রাখে।
মমির সিটি স্ক্যান করতেই ধরা পড়ল চাঞ্চল্যকর তথ্য!
মমির সিটি স্ক্যান করতেই ধরা পড়ল চাঞ্চল্যকর তথ্য!
advertisement

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়ার কেক মেডিসিনের গবেষকেরা সম্প্রতি প্রাচীন মিশরের দুই মমির উচ্চ রেজোলিউশনের সিটি স্ক্যান করেন। আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে তাঁদের জীবনযাপন, শারীরিক অবস্থা ও মৃত্যুর সম্ভাব্য কারণ সম্পর্কে নতুন তথ্য উঠে এসেছে।

স্ক্যান করা দুই মমির নাম নেস-মিন (খ্রিস্টপূর্ব প্রায় ৩৩০) এবং নেস-হোর (খ্রিস্টপূর্ব প্রায় ১৯০)। পেশায় দু’জনেই পুরোহিত ছিলেন। প্রায় দুই হাজার বছর আগের হলেও তাঁদের শারীরিক বৈশিষ্ট্য ও নানা স্বাস্থ্য সমস্যা আধুনিক মানুষের সঙ্গে বিস্ময়কর সাদৃশ্য বহন করে।

advertisement

৩৭ বছর ধরে ইরান শাসন করা সর্বোচ্চ নেতা! জানেন, কে ছিলেন আয়াতোল্লা আলি খামেনেই?

গবেষকেরা হাসপাতাল-মানের ৩২০-স্লাইস সিটি মেশিন ব্যবহার করে ভারী সারকোফেগাসের নীচের অংশে রাখা অবস্থায় মমিগুলির স্ক্যান করেন। মোট ৫০ হাজারেরও বেশি ছবি সংগ্রহ করে সেগুলিকে ত্রিমাত্রিক মডেলে রূপান্তর করা হয়। তাতেই সামনে আসে গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসাবিষয়ক তথ্য।

advertisement

নেস-মিনের ক্ষেত্রে দেখা যায়, মেরুদণ্ডের অবক্ষয় ও নীচের অংশ ধসে যাওয়ার কারণে তিনি তীব্র কোমর ব্যথায় ভুগতেন। এই সমস্যা আজকের দিনে দীর্ঘক্ষণ বসে কাজ করা অফিসকর্মী বা পরিশ্রমী শ্রমিকদের মধ্যেও দেখা যায়। অন্যদিকে নেস-হোর মৃত্যুকালে তুলনামূলক বয়স্ক ছিলেন। তাঁর নিতম্বে তীব্র অবক্ষয়, একাধিক দাঁতের ক্ষয় ও দাঁত পড়ে যাওয়ার প্রমাণ মিলেছে। ধারণা করা হচ্ছে, তিনি দীর্ঘদিন যন্ত্রণায় ভুগেছিলেন।

advertisement

গবেষক সামার ডেকার জানান, আগে স্ক্যান করা হলেও নতুন প্রযুক্তি এত সূক্ষ্ম তথ্য তুলে ধরেছে যে তাঁরা বিস্মিত। এতে স্পষ্ট, প্রাচীন মিশরীয়রাও বয়স বাড়ার সঙ্গে নানা রোগে ভুগতেন।

মুখমণ্ডলের পুনর্গঠনে চোখের পাতা, ঠোঁটের গঠন এমনকি চোখের কিছু বৈশিষ্ট্যও চিহ্নিত করা সম্ভব হয়েছে। পেশায় পুরোহিত হওয়ায় দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে ধর্মীয় আচার পালনের ফলে তাঁদের কোমর ও নিতম্বে চাপ পড়ত বলে অনুমান করা হচ্ছে।

advertisement

সমাধির ভিতর রাখা বস্তু সম্পর্কেও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলেছে। নেস-মিনের দেহে লিনেনের ভাঁজে স্ক্যারাব পোকা-আকৃতির প্রতীক ও মাছের আকারের তাবিজ পাওয়া যায়, যা পরকালে সুরক্ষার প্রতীক হিসেবে রাখা হয়েছিল। নেস-হোরের ক্ষেত্রেও অনুরূপ দাফন-সংস্কৃতির চিহ্ন মিলেছে। এতে বোঝা যায়, প্রাচীন মিশরে দেহ সংরক্ষণ ও প্রতীকী বস্তু ব্যবহারের উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হত।

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
বাজারের চড়া দামকে টা-টা! সরকারি স্টলে জলের দরে মিলছে ইলিশ ও ভেটকি
আরও দেখুন

আগের এক্স-রে পরীক্ষায় যেখানে সীমিত তথ্য মিলত, সেখানে এই সিটি স্ক্যানের মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গ, অস্থি ও দেহের সামগ্রিক গঠন অত্যন্ত বিস্তারিতভাবে জানা গেছে। গবেষকদের মতে, হাজার হাজার বছর পেরিয়ে গেলেও মানবদেহের মৌলিক বৈশিষ্ট্যে তেমন পরিবর্তন হয়নি। ব্যথা, বার্ধক্য ও স্বাস্থ্য সমস্যা—এই সব চ্যালেঞ্জ প্রাচীন মানুষ যেমন মোকাবিলা করতেন, আধুনিক মানুষও তেমনই করছেন।

বাংলা খবর/ খবর/পাঁচমিশালি/
২ হাজার বছরের পুরনো মমির সিটি স্ক্যান! ধরা পড়ল কোন চাঞ্চল্যকর তথ্য? জানলে আপনিও সাবধান হবেন!
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল