কী হয়েছে ওই শিশুর! মা বলছেন, ছোটবেলায় ভুলিয়ে রাখার জন্য হাতে স্মার্টফোন তুলে দিয়েছিলেন। কিন্তু তাতে অনেকগুলো বিপদ এসেছে। প্রথমত সন্তানের আচার-ব্যবহার ধীরে ধীরে পাল্টে যেতে শুরু করেছে। স্মার্টফোনে আসক্ত সন্তান এখন প্রায়শই খারাপ ব্যবহার করতে শুরু করেছে মায়ের সঙ্গে। যদিও বা স্মার্টফোন নিয়ে নেওয়া হয় ওই শিশুর কাছ থেকে, সঙ্গে সঙ্গে চিৎকার চেঁচামেচি জুড়ে দিয়ে কার্যত অশান্তি শুরু করছে সে। শিশুকন্যাকে নিয়ে কার্যত অসহায় হয়ে পড়েছেন মা।
advertisement
আরও পড়ুন - 'গ্রেট ইন্ডিয়ান লুঠ!' রান্নার গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে কেন্দ্রকে আক্রমণ মমতার, ট্যুইটে তীব্র আক্রমণ
তবে সমস্যার এখানেই শেষ নয়, নিজের পরিচিত বৃত্তের সঙ্গে মাঠে গিয়ে মেলামেশা করা বন্ধ করে দিয়েছে সন্তান। । এমনকী, মেয়ের জন্য সাধ করে অনেক খেলনা কিনে এনেছিলেন মা-বাবা, সেগুলির থেকেও মুখ ফিরিয়েছে সেই মেয়ে। এখন সারাদিন স্মার্টফোন কেন্দ্রীক জীবন কাটায় ছোট্ট সন্তানটি। কারওর সঙ্গে তেমন কথাও বলে না। নিকোল জানিয়েছেন, মেয়ের যখন এক বছর বয়স ছিল, তখন থেকেই স্মার্টফোন তাঁর হাতে পৌঁছে দিয়েছিলেন তিনি। আর তাতেই যা বিপত্তি হওয়ার হয়েছে।
আরও পড়ুন - কাশীপুরে বিজেপি কর্মীর দেহ উদ্ধারের ঘটনায় অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা, তদন্তে থ্রিডি প্রযুক্তি
নিজের শরীরের যে খারাপ প্রভাব পড়ছে এর ফলে, তা একাধিক বার বোঝাতে গিয়েছেন নিকোল। কিন্তু তাতে লাভ হয়নি। বারংবার চিৎকার, চেঁচামেচির মুখে পড়তে হয়েছে তাঁকে। তাই টিকটকের ভিডিওয় তিনি অন্য অভিভাবকদের পরামর্শ চেয়েছেন, কারণ তিনি বুঝতে পারছেন না, তাঁর কী করা উচিত। যদিও শেষ পর্যন্ত ঠিক হয়েছে, দিনের ১ ঘণ্টা ওই ফোন ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া হবে মেয়েকে, তার পর তাও কমিয়ে নেওয়া হবে।
