ভিডিওতে দেখা যায়, কর্মব্যস্ততার মধ্যেই রাস্তার ধারে অটো থামিয়ে মেয়েকে খাওয়াচ্ছেন ওই মা। চালকের আসনের পাশেই ছোট একটি সিটে বসেছিল শিশুটি। কাজের দায়িত্ব সামলাতে সামলাতেই মেয়ের যত্ন নিচ্ছেন তিনি। সাধারণ অথচ আবেগঘন এই মুহূর্তই বহু মানুষের হৃদয় ছুঁয়ে গিয়েছে।
advertisement
এক পথচারী এই দৃশ্যটি লক্ষ্য করে মোবাইলে ভিডিও করেন এবং পরে সেটি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন। অল্প সময়ের মধ্যেই ভিডিওটি ভাইরাল হয়ে যায়। নেটিজেনরা ওই মায়ের পরিশ্রম ও দায়িত্ববোধের প্রশংসা করেছেন। অনেকের মতে, এই দৃশ্য দেখিয়ে দেয়—সন্তানের জন্য প্রতিদিন কত ত্যাগ স্বীকার করেন বাবা-মায়েরা, বিশেষ করে মায়েরা।
ভিডিওটি দেখে এক নেটিজেন লিখেছেন, “অসাধারণ মা। অনেক সময় কিছু মানুষ বলেন, সন্তানের যত্ন নিতে হলে মাকে ২৪ ঘণ্টা বাড়িতে থাকতে হবে। কিন্তু এই মহিলা তাঁর সামর্থ্যের মধ্যে থেকেই মেয়েকে বড় করার চেষ্টা করছেন।”
আরেকজন মন্তব্য করেন, “জীবন সবার জন্য সহজ নয়। কেউ বিলাসবহুল গাড়ি, দামি ফোন বা বিদেশ ভ্রমণের কথা ভাবেন। কিন্তু এই ধরনের পরিবারের কাছ থেকে জীবনের আসল শিক্ষা পাওয়া যায়।”
আরও এক ব্যবহারকারী লেখেন, “ভারতীয় মায়েদের ভালবাসাকে কিছুই থামাতে পারে না।”
অন্য একজন মন্তব্য করেন, “মায়েরা ঈশ্বরের পরেই স্থান পান। একাই কত ভূমিকা সহজে পালন করেন।”
কেউ আবার লিখেছেন, “এটাই প্রকৃত মায়ের ভালবাসা।”
এর আগে এমনই আরেকটি ঘটনা সামনে এসেছিল। এক যাত্রী একটি অটোতে ওঠার পর দেখতে পান পিছনের সিটের পেছনের ছোট জায়গায় একটি ছোট মেয়ে ঘুমিয়ে রয়েছে। কৌতূহলবশত তিনি চালককে জিজ্ঞেস করলে চালক জানান, তিনি একাই মেয়েকে মানুষ করছেন। তাঁর স্ত্রী মারা গিয়েছেন এবং বাড়িতে মেয়েকে দেখার মতো কেউ নেই। তাই কাজ করতে বেরোলে মেয়েকেও সঙ্গে নিয়ে বেরোতে হয়।
ঘটনাটি শুনে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন ওই যাত্রী। যাত্রাপথে মেয়েটি ঘুম থেকে উঠলে তিনি তাকে একটি জুস কিনে দেন এবং বাবা-মেয়ের সঙ্গে কিছুক্ষণ কথা বলেন। এই ছোট্ট মানবিক মুহূর্তও পরে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রশংসা কুড়িয়েছে।
