মৃতের নাম শেখ আহমেদ (২৭)। পেশায় তিনি এসি মেকানিক ছিলেন এবং স্থানীয়ভাবে পরিচিত মুখ হিসেবেই পরিচিত ছিলেন। পুলিশ সূত্রে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, ঘটনার দিন রাতে বাড়িতে টিভির আওয়াজ বেশি থাকায় তা কমাতে স্ত্রী ক্রান্তিকে বলেন আহমেদ। এই বিষয়টি নিয়েই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে তর্কাতর্কি শুরু হয়। পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা তখন বাড়িতে ছিলেন কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
advertisement
ঝড় তুলেছে AI! উধাও হয়ে যেতে পারে ৪০ শতাংশ চাকরি? আশঙ্কার কথা শোনালেন IMF চিফ!
পুলিশের অনুমান, বচসা ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, উত্তেজনার মাথায় ক্রান্তি রান্নাঘর থেকে একটি ধারালো ছুরি এনে স্বামীর উপর হামলা চালান। একাধিকবার ছুরিকাঘাতে গুরুতর জখম হন আহমেদ। চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন এবং রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে দ্রুত বিজয়ওয়াড়ার একটি সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে চিকিৎসকদের সব চেষ্টা সত্ত্বেও তিনি মারা যান।
ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং দেহ ময়নাতদন্তে পাঠায়। ইতিমধ্যেই একটি খুনের মামলা রুজু করা হয়েছে। অভিযুক্ত স্ত্রীকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। ঘটনার সময় তাঁদের মধ্যে অন্য কোনও পারিবারিক বিবাদ ছিল কি না, তা-ও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
প্রাথমিকভাবে এটি পারিবারিক অশান্তির জেরে আকস্মিক হামলার ঘটনা বলেই মনে করছে তদন্তকারীরা। তবে পূর্বপরিকল্পনার কোনও ইঙ্গিত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত চূড়ান্ত মন্তব্য করতে নারাজ পুলিশ।
