রাজ্য বিধানসভা ভোটে এবারে অন্যতম ইস্যু হল পরিযায়ী শ্রমিক। ভিন রাজ্যে গিয়ে বারবার তাঁদের হেনস্থার শিকার হতে হচ্ছে বলে অভিযোগ। বিশেষ করে বাংলা ভাষায় কথা বললেই জেলে পাঠানো হচ্ছে এই অভিযোগ নিয়ে বারবার সরব তৃণমূল কংগ্রেস। অভিষেক বলেন, ‘পরিযায়ী শ্রমিকদের আর ফেরত যেতে দেব না। আমাকে তিন মাস সময় দিন। কেন্দ্রের সরকার বদলাবে। আজ না হোক কাল। যারা বাংলাদেশি বলে আপনাদের জেলে ঢুকিয়েছে তাদের দিয়ে ক্ষমা চাওয়াব। কংগ্রেস আছে একদিক, সিপিএম আছে একদিকে। নতুন দল আসছে। কে কোথায় যাবে, কোথায় প্রার্থী দেবে সেটা ঠিক করবে তারা। কিন্তু বিজেপিকে শিক্ষা দিতে পারে একমাত্র তৃণমূল কংগ্রেস। সেটা মনে রাখবেন। ‘
advertisement
অভিষেকের কথায়, ‘কর্ণাটক, তেলেঙ্গানাতে কংগ্রেস সরকার। মালদহ দক্ষিণের সাংসদ কংগ্রেসের। এদের থেকে কি আশা করেন? ইশা খান কি পারে না সেখানে ফোন করে বলতে তার জেলার মানুষকে হেনস্থা করছে। যারা এখানের মানুষদের বোকা ভাবে তারা ভুল করছে। মানুষ কিন্তু বোকা নয়। সব বুঝছে। কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর নাম যদি হয় অমিত শাহ, বাংলার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০৩১ বিজেপির শেষ। শুধু নিজেরা ভাগ হবেন না। যারা ভাগ মমতা ভাগ বলেছিল, তারা আজ ভাগ বিজেপি ভাগ হয়ে গেছে।
তৃণমূলের শীর্ষ নেতার হুঙ্কার, ‘প্রধানমন্ত্রী আসছেন এখানে। আমি সেই একই মাঠে সভা করব ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে। সেদিন ট্রেলার দেখাব। আর ২৬ এর ভোটে সিনেমা দেখাব। তৈরি থাকো। আমার সভায় খেলা হবে। এবার পদ্ম ফুল ওপড়ানো হবে।’ সম্প্রতি রামপুরহাটে গিয়ে অভিষেক দেখা করেন সোনালি খাতুনের সঙ্গে। বুধবার দক্ষিণ দিনাজপুরে গিয়ে দেখা করেন মহারাষ্ট্র জেলে বন্দি থাকা দুই জনের পরিবারের সঙ্গে। বৃহস্পতিবার পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়ে সভা। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের বক্তব্য, এবারের নির্বাচনে সংখ্যালঘু অধ্যুষিত জেলাগুলিকে বিশেষ প্রাধান্য দিচ্ছে তৃণমূল৷
