TRENDING:

ফের অচলাবস্থা গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে, রাতভর ঘেরাও আন্দোলনে অস্থায়ী কর্মীরা

Last Updated:
impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
advertisement
#মালদহ: ডেপুটি কন্ট্রোলারকে রাতভর ঘেরাও করা হয় গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে৷ নতুন হারে বেতন সহ একাধিক দাবিতে এই বিক্ষোভ কর্মসূচি। সারা বাংলা তৃণমূল  শিক্ষাবন্ধু সমিতির পক্ষ থেকে করা হয় এই ঘেরাও। আন্দোলনের জেরে অসুস্থ হয়ে পড়েন বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি কন্ট্রোলার বিনয়কৃষ্ণ হালদার। বিশ্ববিদ্যালয়ের ১২১ জন অস্থায়ী কর্মী এবং ২৯ জন সাফাই কর্মী৷ গত ডিসেম্বর মাসে  এক মাস ধরে  দশ দফা দাবিতে কর্মবিরতি করেন কর্মীরা। কর্মচারী সংগঠনের বক্তব্য়, গত ১৮ ডিসেম্বর এক্সিকিউটিভ কাউন্সিলর বৈঠকে তাঁদের দাবি দাওয়া মেনে নেওয়ার কথা জানান বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। আশ্বাস পেয়ে তখনকার মত আন্দোলন তুলে নেন তাঁরা।
advertisement

কিন্তু গত ২৪ জানুয়ারির এক্সিকিউটিভ কাউন্সিলের সর্বশেষ  বৈঠকে সেই সব নেওয়া সিদ্ধান্ত  কার্যকর কোনও কথা বলেনি কর্তৃপক্ষ। এর ফলে সমস্য়ায় পড়েছে দেড়শোর বেশি অস্থায়ী কর্মী ।

কর্মচারী সংগঠনের সভাপতি শুভায়ু দাসর কথায়, ‘আমরা ২০১৯-এর রোপা অনুযায়ী বেতনের কথা বলেছিলাম। এক্সিকিউটিভ কাউন্সিল তা মেনেও নেয়। পরে জানানো হয়, স্থায়ী কর্মী ছাড়া রোপা সুবিধা দেওয়া সম্ভব নয়। এরপর আমরা এন্ট্রি লেভেল অনুযায়ী আর্থসামাজিক পরিস্থিতির বিবেচনা করে বেতন বৃদ্ধির আর্জি জানাই। কিন্তু, কর্তৃপক্ষ তা মানতে চাইছেন না। এই জন্যই লাগাতার  বিক্ষোভ  চালাতে হচ্ছে।’

advertisement

কর্মী সংগঠনের এই দাবি মানতে নারাজ গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার বিপ্লব গিরি। তিনি জানালেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের এক্সিকিউটিভ কাউন্সিল নীতিগতভাবে কর্মচারী সংগঠনের দাবি মেনে নিয়েছিল ঠিকই । কিন্তু সরকারিভাবে এখনো অস্থায়ী কর্মীদের রোপা অনুযায়ী নতুন বেতনক্রম নির্দিষ্ট হয়নি । এই অবস্থায় কর্মীদের বাড়তি বেতন  ধার্য করা সম্ভব নয়। এই বিষয়টি আন্দোলনকারী কর্মীরা বুঝতে চাইছেন না। এতেই জটিলতা তৈরি হয়েছে। তবে দ্রূত আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা মেটানো হবে।’

advertisement

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
বিরাট নজির গড়লেন এগরার এই শিক্ষক, কুর্নিশ জানালেন সকলে, জানলে গর্বে বুক ফুলবে আপনারও
আরও দেখুন

গত নভেম্বর মাসের শেষে গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য  অধ্যাপক স্বাগত সেন ইস্তফা দেন। তার পদত্যাগপত্র এখনও গ্রহণ করেনি' রাজ্য সরকার। তিনিও আর বিশ্ববিদ্যালয়ে আসেননি ।পরিবর্তে কলকাতাতেই থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজকর্ম করছেন তিনি। কিন্তু, স্থায়ীভাবে ক্যাম্পাসে উপাচার্য না থাকায় রোজকার নানা সমস্যা  হচ্ছে । একদিকে প্রশাসনিক প্রধানের অনুপস্থিতি, অন্যদিকে কর্মচারীদের মাঝে মধ্যেই আন্দোলন।সবমিলিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে।

advertisement

বাংলা খবর/ খবর/উত্তরবঙ্গ/
ফের অচলাবস্থা গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে, রাতভর ঘেরাও আন্দোলনে অস্থায়ী কর্মীরা
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল