প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতিদিনের মতো এদিনও নির্দিষ্ট সময়ে ব্যাংক খুলতেই লেনদেনের জন্য ব্যাংকের ভেতরে ও বাইরে গ্রাহকদের ভিড় জমে ওঠে। ঠিক সেই সময়ই আচমকা একটি বিকট শব্দ শোনা যায়। এরপরেই দেখা যায়, ব্যাংকের ভেতরে থাকা কয়েকজন রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েছেন। কীভাবে নিরাপত্তা রক্ষীর বন্দুক থেকে গুলি ছুটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। এই ঘটনায় আহতদের মধ্যে রয়েছেন দু’জন মহিলা, দু’জন পুরুষ এবং এক শিশু। গুলির শব্দে ও আহতদের অবস্থা দেখে ব্যাংকের ভেতরে থাকা অন্যান্য গ্রাহকদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই প্রাণভয়ে ব্যাংক থেকে বেরিয়ে আসেন।
advertisement
আরও পড়ুন: চলতি বছরেই শেষ হচ্ছে গঙ্গা চুক্তি! শুকিয়ে যাওয়া পদ্মায় জল আনতে বিরাট দাবি বাংলাদেশের
খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় ফাঁসিদেওয়া ব্লকের বিধাননগর থানার পুলিশ। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং ব্যাংক চত্বর ঘিরে ফেলে। আহত পাঁচজনকে প্রথমে উদ্ধার করে বিধাননগর প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাঁদের শারীরিক অবস্থার কথা মাথায় রেখে উন্নত চিকিৎসার জন্য সকলকেই উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়।
বর্তমানে আহতদের চিকিৎসা চলছে এবং তাঁদের শারীরিক অবস্থার উপর চিকিৎসকেরা নজর রাখছেন। এদিকে, কীভাবে নিরাপত্তা রক্ষীর বন্দুক থেকে গুলি ছুটল—এটি দুর্ঘটনা নাকি অন্য কোনও কারণ রয়েছে—তা খতিয়ে দেখছে বিধাননগর থানার পুলিশ। নিরাপত্তা রক্ষীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং ব্যাংকের সিসিটিভি ফুটেজও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। এই ঘটনায় গোটা বিধাননগর এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। দিনের আলোয় ব্যস্ত ব্যাংকের ভেতরে এমন ঘটনায় সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
