উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজে ত্রিবেণী সঙ্গমে কুম্ভস্নান ঘিরে গোটা দেশেই চরম উন্মাদনা। দেশ-বিদেশ থেকে ভিড় করছেন হাজার হাজার পুণ্যার্থীরা। পশ্চিমবঙ্গ থেকেও রওনা দিয়েছিলেন রমেশ। দুই বন্ধু গত ৭ ফেব্রুয়ারি কুম্ভে গিয়েছিলেন। ফেরার সময় রাজধানীতে ফিরছিলেন তিনি।
আরও পড়ুন: সুখবর! ৪ শতাংশ ডিএ বাড়ল রাজ্য সরকারি কর্মীদের, বাজেটে বড় ঘোষণা চন্দ্রিমার
advertisement
রাজধানীর এসি এ১ কোচের ১৩ নং আসনে আসার কথা ছিল তাঁর। পুলিশ সূত্রে খবর, প্রয়াগরাজ স্টেশনে ভিড়ে অপ্রীতিকর অবস্থার সৃষ্টি হয়। প্রচণ্ড ভিড়ে নিজের আসনই পাননি রমেশ। ধাক্কাধাক্কি, চাপাচাপিতে শ্বাসকষ্টে মৃত্যু হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। অসুস্থ রমেশকে পটনা স্টেশনে নামানো হয়। এরপর তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় পটনার হাসপাতালে। সেখানেই তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। বুধবার, পটনা থেকে সড়ক পথে দেহ আনা হয়। এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া।
আরও পড়ুন: ২০২৪-এর গরমকে কয়েক গোল দেবে ২০২৫? চাঁদিফাটা গরমের সঙ্গে হিটওয়েভের আগুনে স্পেল মার্চ থেকেই
এরপরেই ক্ষোভে ফেটে পড়ে রমেশের পরিবার। ট্রেনে চরম অব্যবস্থার বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছে মৃতের পরিবার। চরম অব্যবস্থার কারণে শ্বাসকষ্টে মৃত্যু হয়েছে বলেই অভিযোগ পরিবারের।
এই প্রসঙ্গে, ১১ নং ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর তথা জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক নান্টু পাল সুব্যবস্থার দাবী জানিয়েছেন। তিনি আরও জানান, প্রশাসন, রেল কর্তাদের আরও সতর্ক হওয়ার আর্জি জানান ।
